Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে হিন্দুত্বের জিগির তুলতে মরিয়া বিজেপি

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে আরও এবার হিন্দুত্বের জিগির তুলতে মরিয়া বিজেপি। কারণ দলীয় নেতৃত্বের একাংশ

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে হিন্দুত্বের জিগির তুলতে মরিয়া বিজেপি
  • ২২ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে আরও এবার হিন্দুত্বের জিগির তুলতে মরিয়া বিজেপি। কারণ দলীয় নেতৃত্বের একাংশ মেনেই নিচ্ছেন যে, বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র এক বছরের মধ্যে রাজ্যে দলের সাংগঠনিক স্তরে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন কিছু হবে না। এই পরিস্থিতিতে তাই হিন্দুত্বের পালে হাওয়া দিয়ে ভোটবাক্সে প্রভাব ফেলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। 

Advertisement

এক্ষেত্রে রামনবমীকেই হাতিয়ার করছে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড। শুক্রবার সংসদ ভবন চত্বরে সংবাদ সংস্থাকে কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, সব ক্রিয়ারই একটি সমান এবং বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে। নিউটনের তৃতীয় সূত্র মেনেই দুনিয়া চলছে। কারও কিছু করার নেই। সুকান্তবাবু বলেন, রামনবমীতে যদি হিন্দুদের উপর কোনও ঘটনা ঘটে, তাহলে তারা ‘রিঅ্যাকশন’ দেবেই। সুকান্তবাবু বলেন, গতবার রাজ্যে রামনবমী পালন মোটের উপর শান্তিপূর্ণই ছিল। হাওড়ায় পাথর ছোঁড়ার কিছু ঘটনা সামনে এসেছিল। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জায়গায় এবং শ্রীরামপুরে অশান্তি হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে এনআইএ তার তদন্তও করছে। আর এই প্রেক্ষিতেই এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিন্দুদের ‘রিয়্যাকশন’এর প্রসঙ্গ টেনেছেন। 
পশ্চিমবঙ্গে রামনবমী পালন ইস্যুতে সরব হয়েছেন বিজেপির আর এক এমপি রবি কিষানও। শুক্রবার সংসদ ভবন চত্বরে তিনি সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেস বুঝে গিয়েছে যে রাজ্যে তারা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তাই একাধিক বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু মহাকুম্ভ দেখিয়ে দিয়েছে যে, সনাতনীরা জাগছেন। তাঁদের মধ্যে বাংলার সনাতনীরাও আছেন। ভুলে গেলে চলবে না। যদিও বিজেপির এহেন মন্তব্যের কড়া নিন্দা করেছে তৃণমূল। দলের রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলায় সম্প্রীতির সংস্কৃতি রয়েছে। বাংলার মানুষ জানেন যে সেই সম্প্রীতি কীভাবে রক্ষা করতে হয়। যাঁরা এই সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত নন, তাঁরা ধর্ম নিয়ে এসব বলে বাজার গরম করতে পারেন কিংবা আত্মশ্লাঘা বোধ করতে পারেন। তাতে বাংলার মানুষের কিছু যায় আসে না।

সম্পর্কিত সংবাদ