নয়াদিল্লি: উৎসবের মরশুম। দিনকয়েক পরেই দীপাবলি। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের মেগা সমাবেশ হলে ব্যবসায় বিপুল ক্ষতি হবে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করে রাহুল গান্ধীর দ্বারস্থ হয়েছিল ব্যবসায়ী সংগঠন। এনিয়ে দিনকয়েক ধরে টানাপোড়েন চলেছে। সুযোগ বুঝে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়ে গেরুয়া শিবিরও। দেশের উন্নতি, আম জনতার দিন গুজরান, ব্যবসাপত্র সবকিছু শেষ করে দিতে চাইছে কংগ্রেস ও বিরোধীরা— এমনই নানা কথা বলতে শুরু করেন বিজেপির
নেতা-মন্ত্রীরা। তবে রবিবার সমাবেশের দিন দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। কনট প্লেস থেকে চোখে আঙুল দিয়ে রাহুল গান্ধী দেখিয়ে দিলেন, আশপাশের সমস্ত দোকান বন্ধ। কংগ্রেস সাংসদের কথায়, কনট প্লেসে বিজেপি জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছে। এবার গোটা দেশ দেখছে কারা, কীভাবে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করছে।
দিনকয়েক আগেই চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিটিআই) তরফে লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, পুরানো দিল্লি ও মধ্য দিল্লির প্রায় ২০টি বড়ো পাইকারি ও খুচরো বাজারে দৈনিক ১০-১২ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হয়। সমাবেশে লক্ষ লক্ষ মানুষের জমায়েত ও গাড়ি এলে ব্যবসা ব্যাহত হবে। তাই সমাবেশের দিন পিছিয়ে দেওয়া হোক। এনিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে রাজধানীতে। এর আগে বিরোধীদের সভা-মিছিলের জেরে ব্যবসায়ীদের লোকসানের নানা খতিয়ান তুলে ধরে সুর চড়ায় বিজেপি।
এরইমাঝে শাসক দলকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন রাহুল গান্ধী। রবিবার হুডখোলা গাড়িতে যাওয়ার সময় এক ভিডিয়ো বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে বলেছিলাম সমাবশে আসার সময় নিজেদের মতো কেনাকাটা করুন। এতে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। কিন্তু কনট প্লেসে এসে দেখলাম, বিজেপি জোর করে সমস্ত দোকান বন্ধ করে দিয়েছে। এবার আপনারাই দেখুন কারা, কীভাবে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করছে।’ বিরোধীদের কথায়, পুরোটাই বিজেপির চক্রান্ত। এতে ক্ষতি হচ্ছে সাধারণ মানুষের।



