সংবাদদাতা, বজবজ: বজবজ পুরসভা ও উত্তর রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমানা এলাকায় শাসকদলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করল পুলিস। বুধবার তাদের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র মজুত, খুনের চেষ্টা এবং বোমা ও গুলি ছোড়া সহ জামিন অযোগ্য একাধিক ধারায় মামলা করেছে বজবজ থানার পুলিস। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এই ঘটনায় মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার লুৎফর হোসেনের অনুগামী। বাকি তিনজন উত্তর রায়পুর পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী শেখ হিরোর লোকজন। এই দুই নেতার বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
Advertisement
মূলত এলাকার একটি বড় কারখানায় কর্তৃত্ব কায়েম ও ইমারতি সামগ্রী সরবরাহকে ঘিরেই বুধবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকা। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই দু’পক্ষের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই চলছিল। শেষমেশ তা বোমা ও গুলির লড়াইয়ে পরিণত হয়। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগের দিনই এ বিষয়ে কড়া মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন। ক্ষোভের সঙ্গে বলেছিলেন, কঠোর হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। দলীয় নেতৃত্বকে এব্যাপারে সতর্ক হতে হবে।
বজবজ পুরসভার ৭, ১৩ এবং ১৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং লাগোয়া বজবজ ১ ও ২ নম্বর ব্লকের গ্রামীণ এলাকায় বিভিন্ন সময় জমির প্লটিং, ইমারতি সামগ্রীর সিন্ডিকেট, সরকারি কাজে ঠিকাদার-রাজ কায়েম নিয়ে কয়েক বছর ধরেই গোষ্ঠী বিবাদ চলছে তৃণমূলে। যার জেরে খুনোখুনি থেকে শুরু করে বোমা ও গুলির ঘটনা আকছার ঘটছে। এমন ঘটনায় যারপনাই অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের একাংশের অভিযোগ, এই তল্লাটে দলের রাশ যাঁদের হাতে, তাঁদের অনুগামীরাই গোলমালে জড়িত। ২০২২ সালে বজবজের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খড়িবেড়িয়ায় তৃণমূলের দুই সমর্থক খুন হন। এই ক্ষেত্রেও জমির দালালি ও তার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল।
সিন্ডিকেট রাজের শিকার হন তৃণমূল নেতা হুলতাল। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডেই গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এই ওয়ার্ডেই একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে পাওয়া গিয়েছিল প্রচুর বোমা। বজবজ ২ নম্বর ব্লকের ডি রায়পুর অঞ্চলের যুব তৃণমূলের নেতা কৃষ্ণ মণ্ডল এক বছরের তফাতে দু’বার শ্যুটারদের টার্গেট হয়েছিলেন। সর্বত্রই ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট দখল ও তার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই। কয়েকদিন আগে বজবজের বাসিন্দা শিল্পপতি জগন্নাথ গুপ্তা এই সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুলেছিলেন।
বজবজ পুরসভার ৭, ১৩ এবং ১৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং লাগোয়া বজবজ ১ ও ২ নম্বর ব্লকের গ্রামীণ এলাকায় বিভিন্ন সময় জমির প্লটিং, ইমারতি সামগ্রীর সিন্ডিকেট, সরকারি কাজে ঠিকাদার-রাজ কায়েম নিয়ে কয়েক বছর ধরেই গোষ্ঠী বিবাদ চলছে তৃণমূলে। যার জেরে খুনোখুনি থেকে শুরু করে বোমা ও গুলির ঘটনা আকছার ঘটছে। এমন ঘটনায় যারপনাই অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের একাংশের অভিযোগ, এই তল্লাটে দলের রাশ যাঁদের হাতে, তাঁদের অনুগামীরাই গোলমালে জড়িত। ২০২২ সালে বজবজের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খড়িবেড়িয়ায় তৃণমূলের দুই সমর্থক খুন হন। এই ক্ষেত্রেও জমির দালালি ও তার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল।
সিন্ডিকেট রাজের শিকার হন তৃণমূল নেতা হুলতাল। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডেই গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এই ওয়ার্ডেই একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে পাওয়া গিয়েছিল প্রচুর বোমা। বজবজ ২ নম্বর ব্লকের ডি রায়পুর অঞ্চলের যুব তৃণমূলের নেতা কৃষ্ণ মণ্ডল এক বছরের তফাতে দু’বার শ্যুটারদের টার্গেট হয়েছিলেন। সর্বত্রই ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট দখল ও তার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই। কয়েকদিন আগে বজবজের বাসিন্দা শিল্পপতি জগন্নাথ গুপ্তা এই সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুলেছিলেন।



