বিমান পরিষেবা
Advertisement
টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনকে কলকাতা-লন্ডন বিমান পরিষেবা চালু করার আর্জি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এবং লুফথানসা এয়ারওয়েজও যাতে কলকাতা থেকে তাদের বিমান পরিষেবা চালু করে, এদিন সেই দেশের প্রতিনিধিদের কাছে সেই আর্জি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
জাপানে আমন্ত্রণ
শিল্প সম্মেলনে এসেছেন ৪০টি দেশের প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই নিজেদের দেশে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছে জাপান, এমনই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। এবিষয়ে তিনি জানান, বাংলার জন্য কিছু জায়গায় তো যাওয়া উচিত। কিন্তু রাজ্যে ১২ মাসে ১৩ পার্বণ। বাংলার মানুষের জন্য পাহারাদারের মতো কাজ করতে হয়। একবার লন্ডন গিয়েছিলাম। কিন্তু রাজ্যে বৃষ্টির জন্য ফিরতে হল।
সমন্বয়ের বার্তা
রাজ্যে শিল্পবান্ধব পরিস্থিতি ও পরিকাঠামোর পাশাপাশি অডিও-ভিস্যুয়ালের মাধ্যমে সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিয়ে শুরু হল শিল্প সম্মেলন। ছিল দার্জিলিং থেকে সাগর পর্যন্ত সংস্কৃতি ও শিল্প সম্ভাবনার বার্তাও। এর মাধ্যমে নারী সুরক্ষায় রাজ্যের ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরা হয় শিল্পোদ্যোগীদের সামনে।
শ্বেতপত্র
সার্কুলার ইকোনমি নামক শ্বেতপত্র প্রকাশ করবে ফিকি। এদিন বাণিজ্য সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন ফিকির চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন আগরওয়াল। সম্মেলনের আগে ফিকি এবং সিআইআই-এর এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক হয় বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে। সেখানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।
থাইফুডের প্রশংসা
শিল্প সম্মেলনের দ্বিতীয়ার্ধে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথোপকথনে থাইফুডের প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, থাইফুড তো খুবই বিখ্যাত। আমি একবার থাইল্যান্ডে গিয়েছিলাম। আমি আরও একবার সেখানে যেতে চাই। আপনারা কি ওখানে এই ধরনের কোনও বিজনেস সামিটের আয়োজন করেন?
বাংলার কৃষ্টি
বিজনেস সামিটের মূল অনুষ্ঠান স্থলের বাইরে জেলার পণ্যের সম্ভার ছিল চোখে পড়ার মতো। শোলার কাজ থেকে শুরু করে ছৌ-মুখোশ, গয়না, নকশি কাঁথা, পটচিত্র, বাঁশ, পাটের পণ্য থেকে শুরু করে ঘর সাজানোর জিনিস, প্রতিটি ক্ষেত্রেই মিশে ছিল গ্রামবাংলার রূপ। অতিথিরা সেসব দেখে মুগ্ধ।
শিল্প কমিটি
রাজ্যে আসা লগ্নি যাতে দ্রুত প্রশাসনিক ছাড়পত্র পায়, তার জন্য স্টেট লেভেল ইনভেস্টমেন্ট সিনার্জি কমিটি গড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মুখ্যসচিবকে মাথায় রেখে এই কমিটি গঠিত হল। প্রতি ১৫ দিন অন্তর বৈঠক হবে। সেখানে জমি, ফায়ার, পরিবেশ সহ সব ধরনের ছাড়পত্র এক জায়গায় মেলার ব্যবস্থা করা হবে।
ভুটানের মন্ত্রী
আসার কথা ছিল ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগের। তবে তিনি আসেননি। তাঁর জায়গায় প্রতিনিধিত্ব করেছেন কৃষিমন্ত্রী ইয়নশেন ফুনসো। তিনি বলেন, ভুটানে ‘দিদি’র কথা জানেন সাধারণ মানুষও। সেখানেও ঘরে ঘরে মমতা! বানারহাট ও ভুটানের মধ্যে রেল সংযোগের কথা এদিন উল্লেখ করেন তিনি।
বিদেশে বালুচরি
বক্তৃতার গোড়াতেই বাংলার সংস্কৃতির উল্লেখ করেছিলেন মুকেশ আম্বানি। ব্যবসার কথাতেও উঠে এল বাংলার কৃষ্টি। জানালেন, রিলায়েন্স লন্ডন, প্যারিস বা নিউইয়র্কের মতো শহরে যে ‘স্বদেশ’ স্টোর খুলছে, সেখানে মিলবে বাংলার জামদানি, তাঁত, বালুচরি, মুর্শিদাবাদ সিল্ক, তসর, কাঁথা, মসলিন। পাওয়া যাবে পাট ও খাদির দ্রব্য। থাকবে এখানকার ভোগ্যপণ্যের আঞ্চলিক ব্র্যান্ডগুলিও।
জাপানে আমন্ত্রণ
শিল্প সম্মেলনে এসেছেন ৪০টি দেশের প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই নিজেদের দেশে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছে জাপান, এমনই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। এবিষয়ে তিনি জানান, বাংলার জন্য কিছু জায়গায় তো যাওয়া উচিত। কিন্তু রাজ্যে ১২ মাসে ১৩ পার্বণ। বাংলার মানুষের জন্য পাহারাদারের মতো কাজ করতে হয়। একবার লন্ডন গিয়েছিলাম। কিন্তু রাজ্যে বৃষ্টির জন্য ফিরতে হল।
সমন্বয়ের বার্তা
রাজ্যে শিল্পবান্ধব পরিস্থিতি ও পরিকাঠামোর পাশাপাশি অডিও-ভিস্যুয়ালের মাধ্যমে সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিয়ে শুরু হল শিল্প সম্মেলন। ছিল দার্জিলিং থেকে সাগর পর্যন্ত সংস্কৃতি ও শিল্প সম্ভাবনার বার্তাও। এর মাধ্যমে নারী সুরক্ষায় রাজ্যের ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরা হয় শিল্পোদ্যোগীদের সামনে।
শ্বেতপত্র
সার্কুলার ইকোনমি নামক শ্বেতপত্র প্রকাশ করবে ফিকি। এদিন বাণিজ্য সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন ফিকির চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন আগরওয়াল। সম্মেলনের আগে ফিকি এবং সিআইআই-এর এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক হয় বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে। সেখানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।
থাইফুডের প্রশংসা
শিল্প সম্মেলনের দ্বিতীয়ার্ধে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথোপকথনে থাইফুডের প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, থাইফুড তো খুবই বিখ্যাত। আমি একবার থাইল্যান্ডে গিয়েছিলাম। আমি আরও একবার সেখানে যেতে চাই। আপনারা কি ওখানে এই ধরনের কোনও বিজনেস সামিটের আয়োজন করেন?
বাংলার কৃষ্টি
বিজনেস সামিটের মূল অনুষ্ঠান স্থলের বাইরে জেলার পণ্যের সম্ভার ছিল চোখে পড়ার মতো। শোলার কাজ থেকে শুরু করে ছৌ-মুখোশ, গয়না, নকশি কাঁথা, পটচিত্র, বাঁশ, পাটের পণ্য থেকে শুরু করে ঘর সাজানোর জিনিস, প্রতিটি ক্ষেত্রেই মিশে ছিল গ্রামবাংলার রূপ। অতিথিরা সেসব দেখে মুগ্ধ।
শিল্প কমিটি
রাজ্যে আসা লগ্নি যাতে দ্রুত প্রশাসনিক ছাড়পত্র পায়, তার জন্য স্টেট লেভেল ইনভেস্টমেন্ট সিনার্জি কমিটি গড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মুখ্যসচিবকে মাথায় রেখে এই কমিটি গঠিত হল। প্রতি ১৫ দিন অন্তর বৈঠক হবে। সেখানে জমি, ফায়ার, পরিবেশ সহ সব ধরনের ছাড়পত্র এক জায়গায় মেলার ব্যবস্থা করা হবে।
ভুটানের মন্ত্রী
আসার কথা ছিল ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগের। তবে তিনি আসেননি। তাঁর জায়গায় প্রতিনিধিত্ব করেছেন কৃষিমন্ত্রী ইয়নশেন ফুনসো। তিনি বলেন, ভুটানে ‘দিদি’র কথা জানেন সাধারণ মানুষও। সেখানেও ঘরে ঘরে মমতা! বানারহাট ও ভুটানের মধ্যে রেল সংযোগের কথা এদিন উল্লেখ করেন তিনি।
বিদেশে বালুচরি
বক্তৃতার গোড়াতেই বাংলার সংস্কৃতির উল্লেখ করেছিলেন মুকেশ আম্বানি। ব্যবসার কথাতেও উঠে এল বাংলার কৃষ্টি। জানালেন, রিলায়েন্স লন্ডন, প্যারিস বা নিউইয়র্কের মতো শহরে যে ‘স্বদেশ’ স্টোর খুলছে, সেখানে মিলবে বাংলার জামদানি, তাঁত, বালুচরি, মুর্শিদাবাদ সিল্ক, তসর, কাঁথা, মসলিন। পাওয়া যাবে পাট ও খাদির দ্রব্য। থাকবে এখানকার ভোগ্যপণ্যের আঞ্চলিক ব্র্যান্ডগুলিও।



