Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৬৮টি পুজো কমিটিকে আর্থিক সাহায্য বিষ্ণুপুর পুর কর্তৃপক্ষের

সরকারি অনুদান না পাওয়া ৬৮টি পুজো কমিটিকে পাঁচ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দিল বিষ্ণুপুর পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

৬৮টি পুজো কমিটিকে আর্থিক সাহায্য বিষ্ণুপুর পুর কর্তৃপক্ষের
  • ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সরকারি অনুদান না পাওয়া ৬৮টি পুজো কমিটিকে পাঁচ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দিল বিষ্ণুপুর পুরসভা কর্তৃপক্ষ। সোমবার শহরের রামশরণ মিউজিক কলেজের হলে আনুষ্ঠানিকভাবে পুজো কমিটিগুলির হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়। আর্থিক সাহায্য পেয়ে পারিবারিক ও সর্বজনীন উভয় পুজো কমিটিই ভীষণ খুশি। পুরসভা কর্তৃপক্ষকে তাঁরা সাধুবাদ জানিয়েছেন। উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ, বাঁকুড়া জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মকসুদ হাসান, এসডিপিও সুপ্রকাশ দাস সহ পুরসভার কাউন্সিলাররা। 

Advertisement

বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী বলেন, শহরে বড় পুজোগুলি বাদ দিয়েও ৬৮টি পারিবারিক ও সর্বজনীন পুজো হয়। তারা ঐতিহ্য মেনে অনেক কষ্ট করে পুজো চালিয়ে আসছে। অন্যান্য বছর আমরা পুজো কমিটিগুলিকে পুজোর বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়েছি। তবে গতবছর প্রথম আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। এবারও একইভাবে এদিন বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও তাদের হাতে একটি করে শুভেচ্ছাবার্তা তুলে দেওয়া হয়।  বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক বলেন, এবারে আগামী ৪ তারিখ পুজোর কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। তাতে যারা অংশগ্রহণ করতে চান, তাঁরা আবেদন করবেন। এব্যাপারে আজ, মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এদিন চেক নিতে আসা সিংহভাগ পুজো উদ্যোক্তা পুরসভা কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানায়। বিষ্ণুপুরের কাদাকুলি মহাপাত্রপাড়া পুজো কমিটির সম্পাদক বিবেকরঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, আমাদের পটের পুজো কয়েকশো বছরের পুরনো। সরকারি যে অনুদান পাওয়া যায়, তা আমরা পাই না। মূলত পাড়ায় চাঁদা তুলে পুজো করা হয়। পুরসভা কর্তৃপক্ষ আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এতে আমরা ভীষণ খুশি।  একই মন্তব্য করেছেন গোপালপুর মাঝিপাড়া সর্বজনীন পুজোর এক কর্মকর্তা তপন দে, মল্লেশ্বর দে পরিবারের পুজো কমিটির কর্মকর্তা বাসুদেব দে সহ অন্যান্য পুজো কমিটির সদস্যরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ