Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

ভর্তুকি পাচ্ছে বড় কোম্পানি, কেন্দ্রের নীতিতে কোণঠাসা ক্ষুদ্র-মাঝারি সংস্থা

ভর্তুকি পাচ্ছে বড় কোম্পানি, কেন্দ্রের নীতিতে কোণঠাসা ক্ষুদ্র-মাঝারি সংস্থা
  • ১৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংস্থার সংজ্ঞা বদলে দিয়ে বৃহৎ সংস্থাকে সরকারি সুযোগ সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এই অভিযোগ ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংস্থাগুলির সংগঠন লঘু উদ্যোগ ভারতীর। ক্ষোভ জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। সরকারের নয়া নিয়মে এখন থেকে ৫০০ কোটি টাকার টার্নওভারের সংস্থাকেও মাঝারি সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকার টার্নওভারের সংস্থাকে এতদিন মাঝারি সংস্থা বলা হত। এবার বলা হবে ক্ষুদ্র সংস্থা। একইভাবে যে সংস্থার লগ্নি আড়াই কোটি টাকা পর্যন্ত এবং টার্নওভার ১০ কোটি টাকার মধ্যে তাদের বলা হবে অতি ক্ষুদ্র (মাইক্রো)। এই সংস্থার ক্ষেত্রে এতদিন এই সীমা ছিল যথাক্রমে ১ কোটি টাকা এবং ৫ কোটি টাকা। 

Advertisement

ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংস্থাগুলির বক্তব্য, এই সীমা বাড়িয়ে দেওয়ায় এবার থেকে সিংহভাগ সরকারি সুযোগ, ভাতা, ইনসেনটিভ, অর্ডার ‌ইত্যাদি পেয়ে যাবে এইসব বৃহৎ সংস্থা। কারণ তাদের আর্থিক শক্তি বেশি, কর্মী বেশি, কারখানা বেশি, যন্ত্র ও উপকরণ ক্রয়ের ক্ষমতা বেশি। লঘু উদ্যোগ ভারতীর অভিযোগ, ২০১৬ সালের নোটবাতিলের সিদ্ধান্তের জেরে সবথেকে বেশি ধাক্কা খেয়েছিল ক্ষুদ্র ও মাঝারি সেক্টর। যখন ধীরে ধীরে তারা আবার নিজেদের হারানো জমি ফিরে পাওয়ার লড়াই শুরু করছে, তখন আবার এভাবে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সংজ্ঞাই বদলে দিল কেন সরকার? এই সিদ্ধান্তের পিছনে উদ্দেশ্য কী? তাদের প্রশ্ন, ৫০০ কোটি টাকার সংস্থার সঙ্গে ১০০ কোটি টাকার সংস্থা লড়বে কীভাবে? অথচ তাদের মর্যাদা ও ক্যাটিগরি একই  পরিধিতে নিয়ে আসা হয়েছ। এর ফলে প্রকৃত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্র আরও ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারবে না। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প হিসেবে আগামীদিনে অগ্রাধিকার পাবে আদতে যারা বৃহৎ সংস্থা, তারাই। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ