• ‘ভূতু আয়া ভাগো’। ছবির নাম শুনেই দর্শকের কৌতূহল হবে। পরিচালক ডঃ মনোরঞ্জন জেনা এবং সৌভিক দে-এর পরিচালনায় মজা-হাসি আর রহস্য-ভয়ের মিশেলে তৈরি এই ছবি মুক্তি পাচ্ছে আজ, শুক্রবার। রাজীব, অপু এবং শ্যামল— এই তিন বন্ধুর হাত ধরে বর্তমান সময়ের প্রতিচ্ছবির গল্প বড়ো পর্দায় দেখবেন দর্শক। তিন বন্ধুর চরিত্রে প্রয়াত রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, আরিয়ান ভৌমিক ও দেবরাজ ভট্টাচার্য। এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীমা ভট্টাচার্য। ভক্তি-ভয়-ভালোবাসা এবং হরর-কমেডি, একই সিনেমাতে এত উপকরণ, এটাই এই ছবির ইউএসপি বলে মনে করেন নির্মাতারা। গোটা টিমের মধ্যে নিজেকেই সবচেয়ে ভীতু বলে দাবি করলেন শ্রীমা। দেবরাজের ক্ষেত্রে আবার ভালোবাসা আর ভয় দু’টোই এক, সারমেয়। থিয়েটার থেকে পাওয়া টিফিন শেষ ট্রেনে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার সারমেয়দের জন্য তুলে রাখতেন অভিনেতা। কারণ ওই দু’টোই। ভয় এবং ভালোবাসা। তবে বিশ্বাস করে ঠকে যাওয়ার ভয়ে সকলে একমত। ব্যক্তিগত জীবনের বাইরেও, ছবির প্রচারের সময় প্রয়াত রাহুলকে প্রত্যেক মুহূর্তে মনে পড়ছে সকলের। দেবরাজ জানালেন, রাহুল যাত্রা নিয়ে একটা সিনেমা করার পরিকল্পনা করছিলেন। যা আর হল না। ‘রাহুলদা এমন একজন স্টার, আমার মনে হয় প্রথম একজন স্টার, যাকে তথাকথিত ‘স্টার’-এর ঘেরাটোপের বাইরে বেরিয়ে অনেক কথা বলা যেত’, বললেন দেবরাজ। শ্রীমার গলায় আক্ষেপ, এই ছবি রাহুলের সঙ্গে প্রথম ও শেষ কাজ হয়ে রইল। কাজের মধ্যে দিয়ে সারা জীবন দর্শকের মনে রাহুল বেঁচে থাকবেন বলেই মনে করেন আরিয়ান।



