সংবাদদাতা, মানিকচক: মায়ের সঙ্গে ভূতনিতে দাদুর বাড়ি ঘুরতে এসে বেপরোয়া গাড়ির নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু হল পাঁচ বছরের শিশুর। বৃহস্পতিবার বিকেলে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ভূতনির বাল্লিটোলা গ্রামে। ঘটনার পরই পলাতক গাড়ির চালক। ঘটনা ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশচন্দ্রপুরের ভাজান্না গ্রামের বাসিন্দা জনার্দন মণ্ডল পেশায় দিনমজুর। কয়েকদিন আগে তাঁর পাঁচ বছরের ছেলে জয়দেব মণ্ডল মায়ের সঙ্গে দাদু ডুবারাম মণ্ডলের বাড়ি ভূতনির বাল্লিটোলায় ঘুরতে আসে। অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবার বিকেলেও বাড়ির সামনে খেলাধুলো করছিল জয়দেব। এরই মধ্যে খেলাধুলোর মুহূর্ত বদলে গেল বিষাদে। বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়া একটি গাড়ির নীচে চাপা পড়ে ওই শিশু। স্থানীয়রা দেখতে পেয়েই তড়িঘড়ি শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান ভূতনি দিয়ারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। সেখানে চিকিৎসক একরত্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এদিকে ঘটনার পরই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় ঘাতক গাড়িটি। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভূতনি থানার পুলিস। মৃত শিশুর দাদু ডুবারাম মণ্ডল বলেন, আমার বাড়িতে ঘুরতে এসে এভাবে নাতিটি মারা যাবে কোনওদিন ভাবিনি। গ্রামের রাস্তায় গাড়িটি দ্রুতগতিতে চলার কারণে আমার আদরের নাতিকে হারাতে হল। পুলিস গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। যদিও তল্লাশি চালিয়ে ঘাতক গাড়িটি আটক করেছে ভূতনি থানার পুলিস। তবে চালক পলাতক রয়েছে। দ্রুত চালককে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূতনি থানার এক পুলিস আধিকারিক।
এদিকে ঘটনার পরই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় ঘাতক গাড়িটি। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভূতনি থানার পুলিস। মৃত শিশুর দাদু ডুবারাম মণ্ডল বলেন, আমার বাড়িতে ঘুরতে এসে এভাবে নাতিটি মারা যাবে কোনওদিন ভাবিনি। গ্রামের রাস্তায় গাড়িটি দ্রুতগতিতে চলার কারণে আমার আদরের নাতিকে হারাতে হল। পুলিস গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। যদিও তল্লাশি চালিয়ে ঘাতক গাড়িটি আটক করেছে ভূতনি থানার পুলিস। তবে চালক পলাতক রয়েছে। দ্রুত চালককে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূতনি থানার এক পুলিস আধিকারিক।



