নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দিল্লিমুখী মিরাট এক্সপ্রেসওয়েতে আচমকা যানজট। অথচ সকালের এই সময়ে বুধবার অন্তত যানজটের কথা নয়। কারণ দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন চলছে। অফিস, আদালত ছুটি। রাস্তাঘাটে যানবাহন অনেক কম। বাস, মেট্রোতে যাত্রী সংখ্যা নামমাত্র। তাহলে এই হঠাৎ যানজটের কারণ কী? দেখা গেল, রাস্তায় সার দিয়ে চলছে একের পর এক মিলিটারি ট্রাক। তাতে রয়েছেন আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা। ট্রাকগুলি চলে যাচ্ছে আইটিওর দিকে। দিল্লির ভোটগ্রহণ পর্বের আবহ বুঝতে সম্ভবত এই টুকরো ছবিই যথেষ্ট।
Advertisement
হাইপ্রোফাইল দিল্লির ভোটে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে গোড়া থেকেই তৎপর পুলিস-প্রশাসন। একের পর এক মিলিটারি ট্রাকের কনভয় সেই কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীরই সাক্ষ্যমাত্র। রাস্তায় রাস্তায় পুলিস পিকেট। কোনওরকম সন্দেহ হলেই গাড়ি থামিয়ে চলেছে জিজ্ঞাসাবাদ। দেখাতে হচ্ছে পরিচয়পত্র। পথচারীদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলেও ধেয়ে আসছে প্রশ্ন। এবার শহরের অন্তত তিন হাজার পোলিং বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। শহরজুড়ে মোতায়েন ছিলেন ৩০ হাজারেরও বেশি পুলিসকর্মী এবং ২২০ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর তাঁর সরকারি বাসভবন ছেড়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বিগত প্রায় চার মাস ধরে তিনি সপরিবার রয়েছেন ফিরোজশাহ রোডে। এর কয়েক কিলোমিটারের মধ্যেই সংসদ ভবন, ইন্ডিয়া গেট, রাষ্ট্রপতি ভবন। অর্থাৎ, ভিভিআইপি জোন। ফলে নিরাপত্তার কড়াকড়ি সবসময় থাকে। এদিন দেখা গেল, ফিরোজশাহ রোডে কেজরিওয়ালের বাড়ির সামনে আরও বেশি সুরক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সকালেই সপরিবার নিকটবর্তী পোলিং বুথে ভোট দিয়েছেন কেজরিওয়াল।
এদিকে, ভোটের মরশুমে তৎপরতা বেড়েছে দিল্লির বিভিন্ন দলের অফিসগুলিতেও। কেন্দ্রীয় কার্যালয় হোক বা প্রদেশ দপ্তর— ভোট দিয়ে এসেই নেতারা বসে পড়েন টিভির সামনে। নেতৃত্বের একটি অংশ খোঁজ নিচ্ছেন ভোটদানের হার কত হল, তা নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৫৭.৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর তাঁর সরকারি বাসভবন ছেড়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বিগত প্রায় চার মাস ধরে তিনি সপরিবার রয়েছেন ফিরোজশাহ রোডে। এর কয়েক কিলোমিটারের মধ্যেই সংসদ ভবন, ইন্ডিয়া গেট, রাষ্ট্রপতি ভবন। অর্থাৎ, ভিভিআইপি জোন। ফলে নিরাপত্তার কড়াকড়ি সবসময় থাকে। এদিন দেখা গেল, ফিরোজশাহ রোডে কেজরিওয়ালের বাড়ির সামনে আরও বেশি সুরক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সকালেই সপরিবার নিকটবর্তী পোলিং বুথে ভোট দিয়েছেন কেজরিওয়াল।
এদিকে, ভোটের মরশুমে তৎপরতা বেড়েছে দিল্লির বিভিন্ন দলের অফিসগুলিতেও। কেন্দ্রীয় কার্যালয় হোক বা প্রদেশ দপ্তর— ভোট দিয়ে এসেই নেতারা বসে পড়েন টিভির সামনে। নেতৃত্বের একটি অংশ খোঁজ নিচ্ছেন ভোটদানের হার কত হল, তা নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৫৭.৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে।



