ঢাকা: চোরাগোপ্তা ভারত বিরোধিতা চলছিলই। আনাচেকানাচে রাস্তায় ভারতীয় পতাকা জুতোয় মাড়িয়ে যাওয়ার ছবি-ভিডিও উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সঙ্গে বাংলা-বিহার-ওড়িশা দখলের হুঁশিয়ারি। কিন্তু এবার আর রাখঢাক নয়, ভারতকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি দিল বাংলাদেশ! আক্রমণাত্মক ভূমিকায় পদ্মাপারের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি। খালেদা জিয়ার দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজউদ্দিন আহমেদ রীতিমতো বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে হুমকি দিলেন, ‘যুদ্ধ যদি ওরা (ভারত) শুরু করে তাহলে এই যুদ্ধ ওদের দেশে গিয়েই শেষ হবে। আমরা প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিককে সামরিক ট্রেনিং দিয়ে প্রস্তুত করব যুদ্ধের জন্য। প্রত্যেকটি ছাত্র যেন রাইফেল চালাতে জানে। যত বড় শক্তিই হোক—আরে ভারত তো কিছুই না, এর থেকে বড় শক্তিও যদি আসে তাহলেও বাংলাদেশকে পদানত করতে পারবে না। এখন আর কথা বলার সময় নাই এখন অ্যাকশনে যাওয়ার সময়।’ রাতে পাওয়া খবর অনুযায়ী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবিকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে মহম্মদ ইউনুস সরকার। বিজিবির মহাসচিবের নির্দেশিকা অনুযায়ী দেশের ভিতরের মোতায়েন বাহিনীকে অবিলম্বে সীমান্তে ফিরে যেতে হবে। তাতেই যুদ্ধের জল্পনা শুরু হয়েছে ওপারে।
Advertisement
গত বছরই দিল্লির এক বেসরকারি হাসপাতালে হাঁটুর অপারেশন করিয়ে গিয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজউদ্দিন। তিনি যুদ্ধে হুমকি দেওয়ায় অবাক এপার বাংলা। এদিন জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় হাজির হন তিনি। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল, ‘পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পৃষ্ঠপোষক ভারত সরকার ও তাদের গণমাধ্যমের অবিরাম মিথ্যা প্রচারণা এবং ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ’। সেখানে যথেষ্ট আক্রমণাত্মক ছিলেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে বিষিয়ে তুলেছে ভারত। বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পৃথিবীর কোনও রাষ্ট্রে নাই। কিন্তু ভারতীয় মিডিয়া কল্পকাহিনি ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে যে, এখানে (বাংলাদেশে) হিন্দুদের উপর অন্যায়-অবিচার করা হচ্ছে। আমরা এই মিথ্যাচারের নিন্দা জানাচ্ছি।’
এসবের মধ্যেই হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণদাসের হয়ে যাতে কোনও আইনজীবী দাঁড়াতে না পারেন, সেই চেষ্টা অব্যাহত। এদিন জামাত ও বিএনপির সমর্থকদের বাধাদানে তাঁর হয়ে সওয়ালই করতে পারলেন না আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষ। সূত্রের খবর, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা আদালতের অবকাশকালীন বিচারক সাইফুল ইসলাম জামিনের শুনানি নিয়ে আবেদনটি নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। জরুরি শুনানির আবেদন গৃহীত হওয়ার পরে আগাম জামিনের সম্ভাবনা যখন উজ্জ্বল হচ্ছে, তখনই জটিলতা দেখা দেয়। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এখানে রীতি হচ্ছে, আমাদের বারের একজন আইনজীবীর উপস্থিতিতে ও ওকালতনামা দিয়ে সংযুক্তভাবে আবেদন করতে হয়। কিন্তু উনি স্থানীয় আইনজীবীর ওকালতনামা জমা দিতে পারেননি।’ আদালতে উপস্থিত অন্যরা জানান, চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সুমিত আচার্য্যের নাম জমা দেন রবীন্দ্র ঘোষ। তবে সুমিতকে শুনানির জন্য নির্ধারিত সময়ে আদালতে পাওয়া যায়নি। তাই ২ জানুয়ারি পর্যন্ত চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে চট্টগ্রাম জেলেই থাকতে হচ্ছে।
এসবের মধ্যেই হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণদাসের হয়ে যাতে কোনও আইনজীবী দাঁড়াতে না পারেন, সেই চেষ্টা অব্যাহত। এদিন জামাত ও বিএনপির সমর্থকদের বাধাদানে তাঁর হয়ে সওয়ালই করতে পারলেন না আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষ। সূত্রের খবর, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা আদালতের অবকাশকালীন বিচারক সাইফুল ইসলাম জামিনের শুনানি নিয়ে আবেদনটি নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। জরুরি শুনানির আবেদন গৃহীত হওয়ার পরে আগাম জামিনের সম্ভাবনা যখন উজ্জ্বল হচ্ছে, তখনই জটিলতা দেখা দেয়। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এখানে রীতি হচ্ছে, আমাদের বারের একজন আইনজীবীর উপস্থিতিতে ও ওকালতনামা দিয়ে সংযুক্তভাবে আবেদন করতে হয়। কিন্তু উনি স্থানীয় আইনজীবীর ওকালতনামা জমা দিতে পারেননি।’ আদালতে উপস্থিত অন্যরা জানান, চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সুমিত আচার্য্যের নাম জমা দেন রবীন্দ্র ঘোষ। তবে সুমিতকে শুনানির জন্য নির্ধারিত সময়ে আদালতে পাওয়া যায়নি। তাই ২ জানুয়ারি পর্যন্ত চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে চট্টগ্রাম জেলেই থাকতে হচ্ছে।



