নয়াদিল্লি: দেশের কঠিন সময়ে ভারতীয় অর্থনীতির উদারীকরণ শুরু করেছিলেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য একশো দিনের কাজ, খাদ্যসুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প চালু করেছিলেন ডঃ মনমোহন সিং। যার সুবিধা এখনও পাচ্ছে দেশবাসী। আধার, জিএসটি বা তথ্যের অধিকার আইনও ছিল মনমোহনের মস্তিস্কপ্রসূত। আবার তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বেই ইউপিএ সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু তাঁর আমলের কোন ঘটনাকে সেরা বলে মনে করতেন আর সবচেয়ে আফসোসের জায়গাই বা কী ছিল?
Advertisement
২০১৪ সালের ৩ জানুয়ারি শেষবার সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই জানিয়েছিলেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা। মনমোহন জানিয়েছিলেন, আমেরিকার সঙ্গে ভারতের অসামরিক পরমাণু চুক্তিই ছিল তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের সেরা ঘটনা। ২০০৫ সালে প্রথম এই পরমাণু চুক্তির বিষয়ে সক্রিয় হয়েছিলেন মনমোহন ও তত্কালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশ। তারপর নানা বাধাবিপত্তি পেরিয়ে ২০০৮ সালে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। যা ভারতের ইতিহাসে অন্যতম ঘটনা হয়ে রয়েছে। এই চুক্তির জন্য নিজের সরকারকেও বাজি রাখতে পিছপা হননি মনমোহন।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আরও বেশি কাজ না করতে পারাকেই হতাশার জায়গা বলে উল্লেখ করেছিলেন মনমোহন। ইউপিএ আমলে গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের কথা ভেবে চালু হয়েছিল ন্যাশনাল রুরাল হেলথ মিশন। তবে, শিশু ও মহিলাদের জন্য স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আরও কাজ করা যেত বলেই মনে করতেন প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। ইউপিএ আমলে ওঠা একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মনমোহন বলেছিলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সমসাময়িক সংবাদমাধ্যম ও বিরোধীদের তুলনায় ইতিহাস আমার প্রতি আরও বেশি সদয় হবে। তবে, ১০ বছরের প্রধানমন্ত্রিত্বে কোনওদিনই পদত্যাগের কথা ভাবেননি বলেও জানিয়েছিলেন মনমোহন।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আরও বেশি কাজ না করতে পারাকেই হতাশার জায়গা বলে উল্লেখ করেছিলেন মনমোহন। ইউপিএ আমলে গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের কথা ভেবে চালু হয়েছিল ন্যাশনাল রুরাল হেলথ মিশন। তবে, শিশু ও মহিলাদের জন্য স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আরও কাজ করা যেত বলেই মনে করতেন প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। ইউপিএ আমলে ওঠা একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মনমোহন বলেছিলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সমসাময়িক সংবাদমাধ্যম ও বিরোধীদের তুলনায় ইতিহাস আমার প্রতি আরও বেশি সদয় হবে। তবে, ১০ বছরের প্রধানমন্ত্রিত্বে কোনওদিনই পদত্যাগের কথা ভাবেননি বলেও জানিয়েছিলেন মনমোহন।



