নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মঙ্গলবার সকালে কলকাতার কুমোরটুলি ঘাটে ব্যাগে ভরে দেহ ফেলতে গিয়ে পুলিসের জালে ধরা পড়েছে মা আরতি ঘোষ ও মেয়ে ফাল্গুনী ঘোষ। তারা মধ্যমগ্রামের দক্ষিণ বীরেশ পল্লির বাসিন্দা। ঘটনা জানাজানি হতেই মুখ খুলছেন পড়শিরা। মা-মেয়ের উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাত্রায় অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছেন স্থানীয়রা। দু’জনকে বাগে আনতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছিল। উচ্ছেদেরও দাবি তোলা হয়।
Advertisement
মধ্যমগ্রাম পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বীরেশ পল্লিতে রয়েছে স্বপন দাসের লাল রঙের পুরনো একতলা বাড়ি। স্বপন থাকেন কলকাতার বেলেঘাটায়। বছর দুয়েক আগে তাঁর বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল আরতি ঘোষ ও তার মেয়ে ফাল্গুনী। পড়শিদের দাবি, সন্ধে হলেই লালবাড়িতে আনাগোনা চলত যুবক-যুবতীদের। অভিযোগ, মধুচক্র চলত সেই বাড়িতে। তাই মা-মেয়েকে উচ্ছেদ করতে গণস্বাক্ষর করে মধ্যমগ্রাম থানা ও কাউন্সিলারকে জমা দেন স্থানীয়রা।
ফাল্গুনীর বিয়ে হয়েছিল অসমে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ফাল্গুনী মধ্যমগ্রামে মায়ের কাছেই থাকতে শুরু করে। ফাল্গুনী বারাসত আদালতের এক আইনজীবীর সহযোগী হিসেবে কাজ করে। তবে তাদের বাড়িতে দিনরাত বহিরাগত ছেলেমেয়েদের আসা যাওয়া ছিল। মূলত রাতে। বাড়িতে মদ্যপানের আসর বসত বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। আপত্তিও তোলেন পড়শিরা। মঙ্গলবার খুনের ঘটনা সামনে আসার পরই প্রতিবেশীদের ক্ষোভ আরও প্রকট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ঋতুপর্ণা ঘোষ, বৈশালী রায় বলেন, দু’জনের ব্যবহার খুব খারাপ। ওদের বাড়িতে বাইরে থেকে ছেলেমেয়েরা আসত। আমাদের ধারণা, অশালীন কাজকর্ম হতো। প্রতিবাদে আমরা ডেপুটেশন দিয়েছিলাম। উচ্ছেদের কথাও বলা হয়েছিল। কাউন্সিলার তথা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান প্রকাশ রাহা বলেন, পড়শিদের কাছে বিষয়টি জেনে প্রতিবাদ করেছিলাম। বাড়িওয়ালাকে ভাড়াটিয়াকে তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়ি মালিক স্বপন দাস বলেন, মাসে ৪২০০ টাকায় বাড়ি ভাড়া ছিল। ভাড়ার চুক্তি শেষ হতো ১৮ মার্চ। এরমধ্যেই এমন ঘটবে ভাবতেই পারছি না। পুলিসকে তদন্তে সাহায্য করছি।
মঙ্গলবার ভোরে এই বাড়ি থেকেই ব্যাগে পিসি শ্বাশুড়ির দেহ নিয়ে ভ্যানে ওঠেছিল মা-মেয়ে। গলি রাস্তায় সিসি ক্যামেরা নেই। দক্ষিণ বীরেশপল্লির মূল রাস্তার সিসি ক্যামেরার ফুটেজে অবশ্য তাদের ভ্যানে যাওয়ার ছবি ধরা পড়েছে। ভ্যানে করেই তারা দোলতলা পর্যন্ত গিয়েছিল। সেখানে ট্যাক্সি ধরে। সিসি ক্যামেরা থেকে সেই ছবিও হাতে এসেছে পুলিসের। সেই সূত্র ধরেই ভ্যান ও ট্যাক্সি চালকের হদিশ পেয়েছে পুলিস।
এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন বারাসতের এসডিপিও আজিঙ্কে বিদ্যাগর অনন্ত, মধ্যমগ্রাম থানার আইসি সহ অনান্যরা। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিস। ঘিরে রাখা হয়েছে বাড়ি।
ফাল্গুনীর বিয়ে হয়েছিল অসমে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ফাল্গুনী মধ্যমগ্রামে মায়ের কাছেই থাকতে শুরু করে। ফাল্গুনী বারাসত আদালতের এক আইনজীবীর সহযোগী হিসেবে কাজ করে। তবে তাদের বাড়িতে দিনরাত বহিরাগত ছেলেমেয়েদের আসা যাওয়া ছিল। মূলত রাতে। বাড়িতে মদ্যপানের আসর বসত বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। আপত্তিও তোলেন পড়শিরা। মঙ্গলবার খুনের ঘটনা সামনে আসার পরই প্রতিবেশীদের ক্ষোভ আরও প্রকট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ঋতুপর্ণা ঘোষ, বৈশালী রায় বলেন, দু’জনের ব্যবহার খুব খারাপ। ওদের বাড়িতে বাইরে থেকে ছেলেমেয়েরা আসত। আমাদের ধারণা, অশালীন কাজকর্ম হতো। প্রতিবাদে আমরা ডেপুটেশন দিয়েছিলাম। উচ্ছেদের কথাও বলা হয়েছিল। কাউন্সিলার তথা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান প্রকাশ রাহা বলেন, পড়শিদের কাছে বিষয়টি জেনে প্রতিবাদ করেছিলাম। বাড়িওয়ালাকে ভাড়াটিয়াকে তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়ি মালিক স্বপন দাস বলেন, মাসে ৪২০০ টাকায় বাড়ি ভাড়া ছিল। ভাড়ার চুক্তি শেষ হতো ১৮ মার্চ। এরমধ্যেই এমন ঘটবে ভাবতেই পারছি না। পুলিসকে তদন্তে সাহায্য করছি।
মঙ্গলবার ভোরে এই বাড়ি থেকেই ব্যাগে পিসি শ্বাশুড়ির দেহ নিয়ে ভ্যানে ওঠেছিল মা-মেয়ে। গলি রাস্তায় সিসি ক্যামেরা নেই। দক্ষিণ বীরেশপল্লির মূল রাস্তার সিসি ক্যামেরার ফুটেজে অবশ্য তাদের ভ্যানে যাওয়ার ছবি ধরা পড়েছে। ভ্যানে করেই তারা দোলতলা পর্যন্ত গিয়েছিল। সেখানে ট্যাক্সি ধরে। সিসি ক্যামেরা থেকে সেই ছবিও হাতে এসেছে পুলিসের। সেই সূত্র ধরেই ভ্যান ও ট্যাক্সি চালকের হদিশ পেয়েছে পুলিস।
এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন বারাসতের এসডিপিও আজিঙ্কে বিদ্যাগর অনন্ত, মধ্যমগ্রাম থানার আইসি সহ অনান্যরা। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিস। ঘিরে রাখা হয়েছে বাড়ি।



