নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দিনেদুপুরে বাড়িতে ঢুকে মূল্যবান সামগ্রী লুটের চেষ্টা। মধ্য কলকাতায় শ্রদ্ধানন্দ পার্কের কাছে অখিল মিস্ত্রি লেনের ঘটনা। সোমবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে মুচিপাড়া থানা এলাকায়। লুটের চেষ্টা করা ওই যুবককে দেখে চিৎকার শুরু করে বাড়ির পোষ্য কুকুর। দৌড়ে এসে যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বাসিন্দারা। তবে নানা অজুহাত দেখাতে থাকেন ওই যুবক। শেষমেশ এলাকাবাসীরা মারধরের ভয় দেখালে ‘চুরির ছক’-এর কথা স্বীকার করেন তিনি। ক্ষমা চাইলে বাসিন্দারা তাঁকে ছেড়ে দেন।
Advertisement
অখিল মিস্ত্রি লেনের শিবমন্দিরের পাশে সরু গলি। সেখানে একটি বাড়ির নীচের দরজা খোলা ছিল। সেখানে রয়েছে বাথরুম। এদিন দুপুরে হাফ প্যান্ট পরে ওই যুবক সেখানে ঢুকে পড়েন। একটি খোলা বেসিন রাখা ছিল সেখানে। সেটি হাতে তুলে নেন ওই যুবক। ওই বাড়ির বাসিন্দারা দু’টি কুকুরকে পোষেন। তারাই অজ্ঞাতপরিচয় যুবককে দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে। তা শুনে নেমে আসেন গৃহকর্তা। চুরির চেষ্টা করা ওই যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলেন দম্পতি।
তখন আজব যুক্তি দেন আটক যুবক। তিনি জানান, পাড়ার এক জমাদার আমাকে বলেছেন, এই বাড়িতে অনেক জিনিসপত্র রয়েছে। সেগুলি আপনারা বিক্রি করবেন কি না, তা জানতে এসেছিলাম। তাহলে জিজ্ঞাসা না করে মালপত্র নিয়ে চম্পট দিচ্ছিলেন কেন?— গৃহকর্তার পাল্টা প্রশ্নে অসংলগ্ন উত্তর দেন যুবক। ধীরে ধীরে এলাকায় ভিড় জমে যায়। ভয় পেয়ে চুরির চেষ্টার কথা স্বীকার করেন যুবক। থানার ভয় দেখানোয় ক্ষমাও চান তিনি। এর কিছু পরে যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই গলি দিয়ে শিয়ালদহ, সুরেন্দ্রনাথ কলেজ, বৈঠকখানা বাজার, ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া মোড়, আমহার্স্ট স্ট্রিট সহ একাধিক দিকে বেরনো যায়। তাই মাঝেমধ্যে চোরের উৎপাত দেখা যায়। পুলিসি নজরদারির দাবি তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর পুলিসের দাবি, এলাকায় রাতের বেলা টহলদারি চালানো হয়। এলাকাবাসীর তরফে চুরির অভিযোগ আসেনি।
তখন আজব যুক্তি দেন আটক যুবক। তিনি জানান, পাড়ার এক জমাদার আমাকে বলেছেন, এই বাড়িতে অনেক জিনিসপত্র রয়েছে। সেগুলি আপনারা বিক্রি করবেন কি না, তা জানতে এসেছিলাম। তাহলে জিজ্ঞাসা না করে মালপত্র নিয়ে চম্পট দিচ্ছিলেন কেন?— গৃহকর্তার পাল্টা প্রশ্নে অসংলগ্ন উত্তর দেন যুবক। ধীরে ধীরে এলাকায় ভিড় জমে যায়। ভয় পেয়ে চুরির চেষ্টার কথা স্বীকার করেন যুবক। থানার ভয় দেখানোয় ক্ষমাও চান তিনি। এর কিছু পরে যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই গলি দিয়ে শিয়ালদহ, সুরেন্দ্রনাথ কলেজ, বৈঠকখানা বাজার, ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া মোড়, আমহার্স্ট স্ট্রিট সহ একাধিক দিকে বেরনো যায়। তাই মাঝেমধ্যে চোরের উৎপাত দেখা যায়। পুলিসি নজরদারির দাবি তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর পুলিসের দাবি, এলাকায় রাতের বেলা টহলদারি চালানো হয়। এলাকাবাসীর তরফে চুরির অভিযোগ আসেনি।



