নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভাঁড়ারে টাকা নেই। সিআইডির হয়ে উচ্চ আদালতে মামলা লড়া আইনজীবীদের প্রাপ্য বকেয়া বেড়ে চলেছে। অনেকদিন ধরেই তাঁদের পেমেন্ট মেটানো যাচ্ছে না। নবান্ন সূত্রে খবর, তাঁদের টাকা মেটাতে এবার পুলিস ডিরেক্টরেট ও নবান্নের দ্বারস্থ হল সিআইডি। টাকা চেয়ে তাদের তরফে আর্জি জানানো হয়েছে।
Advertisement
সিআইডির হাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তভার রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে বিভিন্ন ঘটনার তদন্ত করছে তারা। অনেক মামলায় অভিযুক্ত পক্ষ জামিন চেয়ে হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে চলে যাচ্ছেন। তদন্তে স্থগিতাদেশ পর্যন্ত চাইছেন তাঁরা। কিছু ক্ষেত্রে আবার অভিযুক্তরা আদালতের কাছে মামলা থেকে অব্যাহতিও চাইছেন। পর্যাপ্ত সংখ্যায় সরকারি আইনজীবী না-থাকায়, তার বিরোধিতা করতে সিআইডিকে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটরও নিয়োগ করতে হচ্ছে। এমনকী নামজাদা আইনজীবী আনতে হচ্ছে নির্দিষ্ট কোনও কেসের জন্য। নবান্ন সূত্রের খবর, আদালতে একবারের হাজিরার জন্য একজন বড় আইনজীবী নিচ্ছেন দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা! ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে স্পেশাল পিপি’র জন্য। প্রশাসনের শীর্ষ মহল থেকে সূত্রের খবর, বাজেট বরাদ্দের বেশিরভাগই খরচ হয়ে গিয়েছে। অর্থদপ্তর থেকে পুলিস ডিরেক্টরেটে টাকা পাঠানো হয়। ওই টাকা তারা দেয় সিআইডিকে।
নবান্ন সূত্রের খবর, সিআইডির ভাঁড়ারের তলায় এখন পড়ে রয়েছে মাত্র ১২ হাজার টাকা! অথচ, বিল বকেয়া রয়েছে ৭ লক্ষ টাকার অধিক। ইতিমধ্যেই আইনজীবীরা তাঁদের বিল পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু টাকা না-থাকায় তাঁদের পেমেন্ট করা যাচ্ছে না। তাই পুলিস ডিরেক্টটে চিঠি পাঠিয়ে ৭ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছে। নিজেদের তহবিল থেকে পুরো টাকা দিলে সমস্যা হতে পারে বলে বাড়তি টাকা চেয়ে পুলিস ডিরেক্টরেটের তরফে আর্জি গিয়েছে নবান্নে।
নবান্ন সূত্রের খবর, সিআইডির ভাঁড়ারের তলায় এখন পড়ে রয়েছে মাত্র ১২ হাজার টাকা! অথচ, বিল বকেয়া রয়েছে ৭ লক্ষ টাকার অধিক। ইতিমধ্যেই আইনজীবীরা তাঁদের বিল পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু টাকা না-থাকায় তাঁদের পেমেন্ট করা যাচ্ছে না। তাই পুলিস ডিরেক্টটে চিঠি পাঠিয়ে ৭ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছে। নিজেদের তহবিল থেকে পুরো টাকা দিলে সমস্যা হতে পারে বলে বাড়তি টাকা চেয়ে পুলিস ডিরেক্টরেটের তরফে আর্জি গিয়েছে নবান্নে।



