নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সকালে মণিপুরে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার। দুপুরে সেই সিদ্ধান্তের নিন্দা করে নিজের দলের রাজ্য সভাপতিকে বহিষ্কার। বিহার ভোটের আগেই কি নতুন কোনও রাজনৈতিক খেলার পূর্বাভাস দিলেন নীতীশ কুমার? বিজেপি-জেডিইউয়ের অতি নাটকীয়তায় পূর্ণ রাজনৈতিক সমীকরণের জেরে উঠছে এই প্রশ্ন।
Advertisement
বুধবার আচমকাই মণিপুরে নীতীশ কুমারের দলের একমাত্র বিধায়ক মহম্মদ আবদুল নাসির চিঠি দেন স্পিকারকে। জানিয়ে দেন, এখন থেকে তিনি বসবেন বিরোধী আসনে। সংযুক্ত জনতা দলের (জেডিইউ) রাজ্য সভাপতিও বলেন, ‘দলগতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ অর্থাৎ, রাজ্যের এনডিএ সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করছে জেডিইউ। তাতেই তোলপাড় শুরু হয়ে যায় জাতীয় রাজনীতিতে।
এতে অবশ্য বিজেপির কোনও ক্ষতি হওয়ার কথা নয়। কারণ, ৬০ সদস্যের মণিপুর বিধানসভায় এনডিএর ঝুলিতে রয়েছে ৩৭ আসন। জেডিইউয়ের পাঁচজন বিধায়ক ভোটে জিতেই গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। বাকি একজন বিধায়ক সমর্থন প্রত্যাহার করলে সরকার পড়বে না। আবার নাগা পিপলস ফ্রন্ট অথবা নির্দল কোনও বিধায়ক যদি বিরোধী আসনে বসার ঘোষণা করতেন, সেটা নিয়ে কোনও জল্পনা কিংবা চর্চা হতো না। তাহলে বিধানসভার মাত্র একজন সদস্যের বিজেপি সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার নিয়ে এই জলঘোলা তথা রাজনৈতিক আলোড়ন কেন? কারণ একটাই— তিনি নীতীশ কুমারের দলের। আর বিহারে চলতি বছরেই বিধানসভা ভোট!
যে কোনও নির্বাচনের আগে রংবদল সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের প্রিয় শখ। তিনি কি আবার বিজেপিকে কোনও ধাক্কা দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন? দিল্লিতে এসে পৌঁছে যায় এই জল্পনার ঢেউ। কিন্তু তারপরই নাটকীয় পটবদল। পাটনা থেকে সংযুক্ত জনতা দল (জেডিইউ) জানিয়ে দেয় যে, ‘আমরা বিজেপি সরকারের সঙ্গেই আছি। মণিপুরের রাজ্য সভাপতি এব্যাপারে দলীয় স্তরে কোনও আলোচনা করেননি। একাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য বহিষ্কার করা হল।’ কিন্তু তারপরেও সন্দেহ যাচ্ছে না। কারণ, মণিপুর জেডিইউয়ের শাখা এককভাবে এত বড় সিদ্ধান্ত কেন নেবে? এর পিছনে নীতীশ কুমারের কোনও গোপন কৌশল নেই তো? একবেলার জন্য বিজেপিকে সামান্য ধাক্কা দিয়ে তিনি জল মেপে নিলেন না তো? সুতরাং নরেন্দ্র মোদির দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত হতে পারছে না। যেহেতু চরিত্রের নাম নীতীশ কুমার!
এতে অবশ্য বিজেপির কোনও ক্ষতি হওয়ার কথা নয়। কারণ, ৬০ সদস্যের মণিপুর বিধানসভায় এনডিএর ঝুলিতে রয়েছে ৩৭ আসন। জেডিইউয়ের পাঁচজন বিধায়ক ভোটে জিতেই গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। বাকি একজন বিধায়ক সমর্থন প্রত্যাহার করলে সরকার পড়বে না। আবার নাগা পিপলস ফ্রন্ট অথবা নির্দল কোনও বিধায়ক যদি বিরোধী আসনে বসার ঘোষণা করতেন, সেটা নিয়ে কোনও জল্পনা কিংবা চর্চা হতো না। তাহলে বিধানসভার মাত্র একজন সদস্যের বিজেপি সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার নিয়ে এই জলঘোলা তথা রাজনৈতিক আলোড়ন কেন? কারণ একটাই— তিনি নীতীশ কুমারের দলের। আর বিহারে চলতি বছরেই বিধানসভা ভোট!
যে কোনও নির্বাচনের আগে রংবদল সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের প্রিয় শখ। তিনি কি আবার বিজেপিকে কোনও ধাক্কা দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন? দিল্লিতে এসে পৌঁছে যায় এই জল্পনার ঢেউ। কিন্তু তারপরই নাটকীয় পটবদল। পাটনা থেকে সংযুক্ত জনতা দল (জেডিইউ) জানিয়ে দেয় যে, ‘আমরা বিজেপি সরকারের সঙ্গেই আছি। মণিপুরের রাজ্য সভাপতি এব্যাপারে দলীয় স্তরে কোনও আলোচনা করেননি। একাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য বহিষ্কার করা হল।’ কিন্তু তারপরেও সন্দেহ যাচ্ছে না। কারণ, মণিপুর জেডিইউয়ের শাখা এককভাবে এত বড় সিদ্ধান্ত কেন নেবে? এর পিছনে নীতীশ কুমারের কোনও গোপন কৌশল নেই তো? একবেলার জন্য বিজেপিকে সামান্য ধাক্কা দিয়ে তিনি জল মেপে নিলেন না তো? সুতরাং নরেন্দ্র মোদির দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত হতে পারছে না। যেহেতু চরিত্রের নাম নীতীশ কুমার!



