নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রায় বাহাদুর রোডের পর এবার কালীপদ মুখার্জি রোড।
Advertisement
বেহালায় ফের ফাঁকা বাড়িতে লুট। দরজার গ্রিল ভেঙে অলঙ্কার, নগদ সহ যাবতীয় মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। রবিবার দুপুরে ঘটনাটি নজরে আসে। এরপর বাড়ির মালিকের এক আত্মীয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিস। তদন্তকারীরা দেখেন, গোটা বাড়ি লণ্ডভণ্ড। আলমারি ভাঙা। খাটের তোষক, বালিশ ছেঁড়া। ভাঙা লকারও। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে হরিদেবপুর থানার পুলিস। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
হরিদেবপুর থানা এলাকার ইস্ট পার্ক টেলিফোন এক্সচেঞ্জের কাছে ঘটনাটি ঘটেছে। কালীপদ মুখার্জি রোডের ৩১/৫ নম্বর বাড়িতে থাকেন গৃহকর্তা সুধেন্দুবিকাশ বাগ। তাঁর ছেলে ওড়িশায় থাকেন। সেখানেই চাকরি করেন তিনি। গত সপ্তাহে ছেলের কাছে ঘুরতে যান বাবা। বাড়ি ফাঁকাই ছিল। আজ, সোমবার ফেরার কথা সুধেন্দুবাবুর। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তার আগে রবিবার দুপুরে বাড়ি পরিষ্কারের জন্য আসেন পরিচারিকা। তিনিই প্রথম দেখেন, সদর দরজার গ্রিল ভাঙা। সন্দেহ হয় তাঁর। ভিতরে প্রবেশ করতেই চোখ কপালে ওঠে তাঁর। ‘ডাকাতি হয়েছে, সব তছনছ করে দিয়ে গিয়েছে...’— এই বলে চিৎকার করতে শুরু করেন তিনি। চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। পরিচারিকা সুধেন্দুবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে গোটা বিষয়টি জানান।
পুলিস সূত্রে খবর, গৃহকর্তার কথায় ঘটনাস্থলে আসেন তাঁর এক আত্মীয়। তিনিই ঘরের ছবি তুলে থানায় জানান। বিকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিদেবপুর থানায় বিশাল টিম। তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন গৃহকর্তা। পুলিস সূত্রে খবর, কী কী চুরি গিয়েছে, কত টাকা নগদ, অলঙ্কার লুট হয়েছে, তা স্পষ্ট হবে গৃহকর্তা বাড়ি ফেরার পর। জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার সকালে ওড়িশা থেকে ফিরছেন প্রৌঢ়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, একাধিক দুষ্কৃতী প্রবেশ করেছিল বাড়িতে। তারা জানত, শনি ও রবিবার বাড়ি ফাঁকা থাকবে। এই সুযোগে লুট করে তারা পালিয়েছে। কিন্তু, বাড়ি যে ফাঁকা থাকবে, সেই ‘টিপ’ দুষ্কৃতীদের কাছে যে বা যারা পৌঁছে দিয়েছে, এমন সন্দেভাজনরা এখন তদন্তকারীদের স্ক্যানারে। দুষ্কৃতীরা আগে থেকে রেকি করেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।
হরিদেবপুর থানা এলাকার ইস্ট পার্ক টেলিফোন এক্সচেঞ্জের কাছে ঘটনাটি ঘটেছে। কালীপদ মুখার্জি রোডের ৩১/৫ নম্বর বাড়িতে থাকেন গৃহকর্তা সুধেন্দুবিকাশ বাগ। তাঁর ছেলে ওড়িশায় থাকেন। সেখানেই চাকরি করেন তিনি। গত সপ্তাহে ছেলের কাছে ঘুরতে যান বাবা। বাড়ি ফাঁকাই ছিল। আজ, সোমবার ফেরার কথা সুধেন্দুবাবুর। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তার আগে রবিবার দুপুরে বাড়ি পরিষ্কারের জন্য আসেন পরিচারিকা। তিনিই প্রথম দেখেন, সদর দরজার গ্রিল ভাঙা। সন্দেহ হয় তাঁর। ভিতরে প্রবেশ করতেই চোখ কপালে ওঠে তাঁর। ‘ডাকাতি হয়েছে, সব তছনছ করে দিয়ে গিয়েছে...’— এই বলে চিৎকার করতে শুরু করেন তিনি। চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। পরিচারিকা সুধেন্দুবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে গোটা বিষয়টি জানান।
পুলিস সূত্রে খবর, গৃহকর্তার কথায় ঘটনাস্থলে আসেন তাঁর এক আত্মীয়। তিনিই ঘরের ছবি তুলে থানায় জানান। বিকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিদেবপুর থানায় বিশাল টিম। তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন গৃহকর্তা। পুলিস সূত্রে খবর, কী কী চুরি গিয়েছে, কত টাকা নগদ, অলঙ্কার লুট হয়েছে, তা স্পষ্ট হবে গৃহকর্তা বাড়ি ফেরার পর। জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার সকালে ওড়িশা থেকে ফিরছেন প্রৌঢ়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, একাধিক দুষ্কৃতী প্রবেশ করেছিল বাড়িতে। তারা জানত, শনি ও রবিবার বাড়ি ফাঁকা থাকবে। এই সুযোগে লুট করে তারা পালিয়েছে। কিন্তু, বাড়ি যে ফাঁকা থাকবে, সেই ‘টিপ’ দুষ্কৃতীদের কাছে যে বা যারা পৌঁছে দিয়েছে, এমন সন্দেভাজনরা এখন তদন্তকারীদের স্ক্যানারে। দুষ্কৃতীরা আগে থেকে রেকি করেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।



