নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার সম্পত্তি তলিয়ে যাচ্ছে ভাগীরথীর গর্ভে। নবাবের সম্পত্তি রক্ষায় কেউ কোনও পদক্ষেপ করছে না।এমনই অভিযোগে দায়ের হওয়া এক মামলায় হেরিটেজ রক্ষার প্রশ্নে রাজ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের মন্তব্য, ‘রাজ্য হেরিটেজ কমিশন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয়। এরা শুধু ভাঙতে জানে।’
Advertisement
নবাবের প্রাসাদের শেষ অংশটুকু সংরক্ষণ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল নবাব সিরাজউদ্দৌলা স্মৃতি সুরক্ষা ট্রাস্ট। তাদের অভিযোগ, ওই সম্পত্তির বেশিরভাগই অংশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। অবশিষ্ট অংশ রক্ষার ক্ষেত্রে প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ভাগীরথীর গর্ভে ওই সম্পত্তি তলিয়ে যাচ্ছে। শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘এক্ষেত্রে প্রশাসনিক উদ্যোগ জরুরি।’ রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১৭৫৮ সালে নবাবের সম্পত্তি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অনেকটাই নষ্ট করে ফেলেছিল। তারপর অনেক সম্পিত্তি ভাগীরথীতে তলিয়ে গিয়েছে। মাত্র ৯ বিঘা অবশিষ্ট রয়েছে।
এই বক্তব্য শুনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘যেটুকু ইতিহাস আছে, সেটা রক্ষা না করলে ৯ বিঘাও থাকবে না। হেরিটেজ রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যের। কিন্তু এক্ষেত্রে তাদের কোনও উদ্যোগই নেই। হেরিটেজ কমিশন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয়।’ এই প্রসঙ্গে রাইটার্স বিল্ডিংস নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘হেরিটেজের জায়গায় বড় বড় হাইরাইজ বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে। পুরনো ইতিহাস রক্ষার পরিবর্তে তা ভেঙে ফেলা হচ্ছে!’ একই সঙ্গে বিচারপতিকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘ঐতিহ্য ভেঙে ফেলা খুব সহজ। ৪৮ ঘণ্টায় ভেঙে ফেলতে পারবেন। কিন্তু ফেরাতে পারবেন না।’
এরপরই নিজের রাজ্যে হেরিটেজ রক্ষার উদ্যোগের নিয়ে রাজ্যের আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘মহাবলীপুরমের কথা শুনেছেন? কন্যাকুমারীতে দেখেছেন স্বামী বিবেকানন্দ রক কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে? আপনারা ইতিহাসকে রক্ষা করার চেষ্টা না করলে নবাবের বাকি সম্পত্তিও আর থাকবে না।’
আগামী সপ্তাহে রাজ্যেকে এই ব্যাপারে তাদের সদর্থক অবস্থান জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকেও এই মামলায় সংযুক্ত করতে বলেছে বেঞ্চ।
এই বক্তব্য শুনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘যেটুকু ইতিহাস আছে, সেটা রক্ষা না করলে ৯ বিঘাও থাকবে না। হেরিটেজ রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যের। কিন্তু এক্ষেত্রে তাদের কোনও উদ্যোগই নেই। হেরিটেজ কমিশন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয়।’ এই প্রসঙ্গে রাইটার্স বিল্ডিংস নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘হেরিটেজের জায়গায় বড় বড় হাইরাইজ বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে। পুরনো ইতিহাস রক্ষার পরিবর্তে তা ভেঙে ফেলা হচ্ছে!’ একই সঙ্গে বিচারপতিকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘ঐতিহ্য ভেঙে ফেলা খুব সহজ। ৪৮ ঘণ্টায় ভেঙে ফেলতে পারবেন। কিন্তু ফেরাতে পারবেন না।’
এরপরই নিজের রাজ্যে হেরিটেজ রক্ষার উদ্যোগের নিয়ে রাজ্যের আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘মহাবলীপুরমের কথা শুনেছেন? কন্যাকুমারীতে দেখেছেন স্বামী বিবেকানন্দ রক কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে? আপনারা ইতিহাসকে রক্ষা করার চেষ্টা না করলে নবাবের বাকি সম্পত্তিও আর থাকবে না।’
আগামী সপ্তাহে রাজ্যেকে এই ব্যাপারে তাদের সদর্থক অবস্থান জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকেও এই মামলায় সংযুক্ত করতে বলেছে বেঞ্চ।



