


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: বিধায়ক হয়েছেন একবার। লড়েছেন একাধিক নির্বাচনে। জেলেও গিয়েছেন। বর্তমানে ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তিনি। যে দলের হয়ে এতদিন প্রাণপাত করেছেন, আজ এক রাশ অভিমান ও ক্ষোভ নিয়ে সেই দল ত্যাগ করলেন ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতা আরাবুল ইসলাম। ভোট ঘোষণার পরদিন, সোমবার সকালে জানিয়ে দিলেন, তৃণমূল ছাড়লেন তিনি। তবে এবার কোন দলে যোগ দেবেন, সেই রহস্য জিইয়ে রাখলেন। যদিও অনেকের ধারণা, আইএসএফে যোগদান করে আসন্ন বিধানসভা ভোটে লড়াই করবেন। এই বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, দু’-একদিনের মধ্যে সবটা স্পষ্ট হয়ে যাবে। দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেও পঞ্চায়েত সমিতির পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন আরাবুল।
এদিন ফুরফুরা শরিফে আসেন আরাবুল। পীরজাদা তাহের সিদ্দিকী, হোসেন সিদ্দিকীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। দেখা করেন আরো কয়েকজনের সঙ্গে। ফিরে এসে বিকালে ভাঙড়ের পোলেরহাটের শ্যামনগরে এক আইএসএফ নেতার বাড়িতেও যান আরাবুল। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় ভাঙড়ে চার তরুণ আইএসএফ কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটতে হয়েছিল তাঁকে। ওই চারটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এদিন দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন প্রাক্তন তৃণমূলের বিধায়ক। দল ছাড়া নিয়ে আরাবুল বলেন, অন্তর থেকে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলাম। অনেক অপমান ও অত্যাচার করা হয়েছে। এমনকি জেল পর্যন্ত খাটানো হয়েছে। বিনা কারণে বহিষ্কার করেছে দল। শওকত মোল্লাকে তৃণমূল যেভাবে প্রাধান্য দিয়েছে, সেই কারণে দলত্যাগ করলাম।