নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তিল ধারণের জায়গা নেই ভগবতপুর কুমির প্রকল্পে। ছোট-বড়-মাঝারি কুমিরে ঠাসা। যে সব কুমির বড় হয়ে গিয়েছে, তাদের নদীতে ছাড়া যেতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বনকর্মীরা। তাহলে নতুনদের জন্য কিছুটা জায়গা হয়তো পাওয়া যাবে। এখন জায়গার অভাবে এখন কুমিরদের রাখাই মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে সাড়া না দেওয়ায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বনবিভাগ চায়, যে কুমিরগুলি বড় হয়ে গিয়েছে, সেগুলিকে পরিকল্পনা করে নদীতে ছেড়ে দিতে। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এখনও এ ব্যাপারে অনুমতি দেয়নি। বর্তমানে ভগবতপুরের পাঁচটি জলাশয়ে ৯০টির মতো কুমির রয়েছে। তার মধ্যে অনেকগুলি পূর্ণ বয়স্ক হয়ে উঠেছে। তারা আকারেও বেশ বড়। এই কুমিরগুলি প্রকৃতির কোলে নিজের মতো করে শিকার করে বেঁচে থাকতে পারবে। তাই তাদের নদীতে ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে বলে বনকর্মীরা মনে করছেন।
কুমির প্রকল্পের পরিকাঠামো বেহাল অবস্থায় রয়েছে। বহুদিন রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় অনেক ঘর যেমন ভেঙে পড়েছে, তেমনই যে পুকুরে কুমিরদের রাখা হয়, সেগুলিও বেহালও হয়ে পড়েছে। তাই যত বেশি কুমির নদীতে ছাড়া হবে, ততই ভালো হবে তাদের পক্ষে। ভগবতপুর প্রকল্পে থাকা কুমিরদের নিয়ে কোনও পরিকল্পনা আছে কি না, জানতে চাওয়া হলে বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা বলেন, রাজ্যের অন্য কোনও চিড়িয়াখানায় কয়েকটিকে রাখা যায় কি না, সেটা ভেবে দেখা হবে। নিজস্ব চিত্র