নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাইবার জালিয়াতি ও প্রতারণার ঘটনায় দশটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক এখন কেন্দ্রীয় ইকনমিক অফেন্সেস ইউনিটের নজরে। সবচেয়ে বেশি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে এইসব ব্যাঙ্কে। সেখানে বিপুল পরিমাণ লেনদেনও হয়েছে। এই ধরনের ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে বিহার। এই ধরনের অপরাধ কীভাবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের নজর এড়াল, তা জানতে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি গোটা বিষয়টি জানিয়ে ইকনমিক অফেন্সেস ইউনিটের তরফে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
সাইবার জালিয়াতরা প্রতারণার টাকা ডিপোজিটের জন্য বিভিন্ন নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলে। চাকরির টোপ বা আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে তারা ভোটার, আধার, প্যান ইত্যাদি নথি জোগাড় করে। সেইসব নথিকে কাজে লাগিয়ে খোলা হয় বিভিন্ন কাগুজে কোম্পানি। সেসব কোম্পানির ডিরেক্টর করা হয় সব্জি বিক্রেতা, না হয় ঠিকা শ্রমিক বা মজুরদের। ব্যাঙ্কে কোম্পানির নামে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলত তারা। সেইসব অ্যাকাউন্টে বিপুল লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। ওই টাকা পরে স্থানান্তর হয় অন্যান্য অ্যাকাউন্টে।
ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম পোর্টালে জমা পড়া অভিযোগের কপি সংগ্রহ করে ইকনমিক অফেন্সেস ইউনিট। তারা প্রথমেই দেখে কোন কোন ভুয়ো অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন হয়েছে। এই নথি ঘাঁটতে গিয়েই দশটি ব্যাঙ্ককে চিহ্নিত করেন তদন্তকারীরা। এই দশটি ব্যাঙ্কই বেসরকারি। ঘটনাচক্রে ব্যাঙ্কের যে সব শাখায় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযোগ উঠেছে, তার সিংহভাগই পাটনায়। বাকি অ্যাকাউন্টগুলি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড ও তামিলনাড়ুতে। এইসব অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের মধ্যে। সব মিলিয়ে ভুয়ো লেনদেন হয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকার উপর। এরপর ওই ব্যাঙ্কগুলিকে চিহ্নিত করে তাদের সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠিয়েছে ইকনমিক অফেন্সেস ইউনিট।
তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কগুলি নথি যাচাই না করেই অ্যাকাউন্ট খুলেছে। এমনকী, বিপুল লেনদেন হওয়া সত্ত্বেও তারা রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে কিছু জানায়নি। শুধু তাই নয়, যাঁরা লেনদেনের অঙ্ক স্ক্রুটিনির দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের ভূমিকাও সন্দেহজনক বলে মনে করছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সঙ্গে সাইবার জালিয়াতদের যোগাযোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ওইসব অ্যাকাউন্ট ‘ব্লক’ করার রাস্তায় যেতে চলেছে বলে খবর।
ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম পোর্টালে জমা পড়া অভিযোগের কপি সংগ্রহ করে ইকনমিক অফেন্সেস ইউনিট। তারা প্রথমেই দেখে কোন কোন ভুয়ো অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন হয়েছে। এই নথি ঘাঁটতে গিয়েই দশটি ব্যাঙ্ককে চিহ্নিত করেন তদন্তকারীরা। এই দশটি ব্যাঙ্কই বেসরকারি। ঘটনাচক্রে ব্যাঙ্কের যে সব শাখায় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযোগ উঠেছে, তার সিংহভাগই পাটনায়। বাকি অ্যাকাউন্টগুলি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড ও তামিলনাড়ুতে। এইসব অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের মধ্যে। সব মিলিয়ে ভুয়ো লেনদেন হয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকার উপর। এরপর ওই ব্যাঙ্কগুলিকে চিহ্নিত করে তাদের সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠিয়েছে ইকনমিক অফেন্সেস ইউনিট।
তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কগুলি নথি যাচাই না করেই অ্যাকাউন্ট খুলেছে। এমনকী, বিপুল লেনদেন হওয়া সত্ত্বেও তারা রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে কিছু জানায়নি। শুধু তাই নয়, যাঁরা লেনদেনের অঙ্ক স্ক্রুটিনির দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের ভূমিকাও সন্দেহজনক বলে মনে করছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সঙ্গে সাইবার জালিয়াতদের যোগাযোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ওইসব অ্যাকাউন্ট ‘ব্লক’ করার রাস্তায় যেতে চলেছে বলে খবর।



