সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ডিভোর্সের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ রোধ করে মাটিতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্বামী আজাদ খানের। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে বাগনান থানার রামচন্দ্রপুর মিত্তির পুকুরপাড় এলাকায়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম নার্গিস খাতুন। বাড়ি বাগনানের খাজুরনান গ্রামে। এই ঘটনায় পুলিস অভিযুক্ত আজাদ খানকে গ্রেপ্তার করেছে। মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হওয়া দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে। পুলিস খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। বুধবার ধৃতকে উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর আটেক আগে নার্গিসের সঙ্গে বাগনানের রবিভাগ এলাকার এক যুবকের বিয়ে হয়। তাঁদের একটি সন্তান আছে। সেই সম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি। পরবর্তীকালে ডিভোর্স হয়ে যায়। এরপর নার্গিসের সঙ্গে খাজুরনান গ্রামের বাসিন্দা আজাদ খানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মাস চারেক আগে তাঁরা রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন। তবে এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি আজাদের পরিবার। দু’-এক মাস যেতে না যেতেই এই বিয়ে নিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। মৃতার বাপের বাড়ির সদস্যদের অভিযোগ, পারিবারিক অশান্তি এড়াতে আজাদ ডিভোর্সের জন্য চাপ দিতে শুরু করে নার্গিসকে। তবে নার্গিস বিবাহ বিচ্ছেদের পক্ষে ছিলেন না।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মামাবাড়িতে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন নার্গিস। দুপুরে দেখা করার জন্য আজাদ সেখানে ফোন করে নার্গিসকে ডাকে। নার্গিস এলে তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরে আজাদ। পরে রাতের দিকে রামচন্দ্রপুরে মিত্তির পুকুরপাড় এলাকায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে মারধর করে ও শ্বাসরোধ করে খুন করে। তারপর দেহটি মাটিতে পুঁতে দেয়। মাটিতে পুঁতে দেওয়ার ঘটনা দেখে ফেলেন স্থানীয় এক ফুল ব্যবসায়ী। তিনি স্থানীয় ক্লাবের সদস্যদের বিষয়টি জানান। তাঁরা চটজলদি এসে আজাদকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে খবর দিলে বাগনান থানার পুলিস ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করার পাশাপাশি আজাদকে গ্রেপ্তার করে। মৃতার মা মাজেদা বেগমের অভিযোগ, আমি প্রথম থেকেই মেয়েকে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে বলেছিলাম। ও শোনেনি। নার্গিসের আত্মীয় সেলিমা খাতুন বলেন, আজাদ সব সময় তাঁকে বলত, বাবা অসুস্থ। অশান্তির চাপ তিনি আর নিতে পারছেন না। বাবাকে বাঁচাতে হলে ডিভোর্স দিতে হবে। সেলিমার অভিযোগ, নার্গিস ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আজাদ পরিকল্পনা করেই ওকে খুন করেছে।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মামাবাড়িতে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন নার্গিস। দুপুরে দেখা করার জন্য আজাদ সেখানে ফোন করে নার্গিসকে ডাকে। নার্গিস এলে তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরে আজাদ। পরে রাতের দিকে রামচন্দ্রপুরে মিত্তির পুকুরপাড় এলাকায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে মারধর করে ও শ্বাসরোধ করে খুন করে। তারপর দেহটি মাটিতে পুঁতে দেয়। মাটিতে পুঁতে দেওয়ার ঘটনা দেখে ফেলেন স্থানীয় এক ফুল ব্যবসায়ী। তিনি স্থানীয় ক্লাবের সদস্যদের বিষয়টি জানান। তাঁরা চটজলদি এসে আজাদকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে খবর দিলে বাগনান থানার পুলিস ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করার পাশাপাশি আজাদকে গ্রেপ্তার করে। মৃতার মা মাজেদা বেগমের অভিযোগ, আমি প্রথম থেকেই মেয়েকে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে বলেছিলাম। ও শোনেনি। নার্গিসের আত্মীয় সেলিমা খাতুন বলেন, আজাদ সব সময় তাঁকে বলত, বাবা অসুস্থ। অশান্তির চাপ তিনি আর নিতে পারছেন না। বাবাকে বাঁচাতে হলে ডিভোর্স দিতে হবে। সেলিমার অভিযোগ, নার্গিস ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আজাদ পরিকল্পনা করেই ওকে খুন করেছে।



