নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: কলকাতার পর হেলে পড়া বহুতলের খোঁজ মিলল বিধাননগর পুরসভায়ও। বাগুইআটির জগৎপুর নেতাজি পল্লিতে পাশাপাশি দু’টি বহুতল হেলে গিয়ে একটি অপরটির সঙ্গে ঠেকে গিয়েছে! সঙ্কীর্ণ গলির ভিতর ওই বহুতল কীভাবে তৈরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নারায়ণপুরে রাস্তার ধারেও একটি বহুতল হেলে গিয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে সেই বহুতলের বাসিন্দারা অন্যত্র সরে গিয়েছেন। বিধাননগর পুরসভা কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, দু’টি ঘটনাই তাদের নজরে এসেছে। ইতিমধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে এসেছেন পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা। মেরামত সম্ভব না হলে ভেঙেও ফেলা হতে পারে বহুতল দু’টি।
Advertisement
বাগুইআটির জগৎপুর নেতাজি পল্লি এলাকা বিধাননগর পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। খালপাড়ের রাস্তা থেকে সরু গলির ভিতরে পাশাপাশি দু’টি চারতলা বাড়ি তৈরি হয়েছে। গত বর্ষার পর দু’টি বাড়িই হেলে পড়ে। নীচের অংশ ফাঁকা থাকলেও উপরের দিকে তা প্রায় ঠেকে গিয়েছে। কোন বাড়িটি হেলেছে, তা নিয়েও বিতর্ক চলছে। একটি বহুতলের মালিক মিঠুন কর। অন্যটির মালিক শম্পা ঘোষ। শম্পাদেবী বলেন, ‘আমার বাড়ি একতলা ছিল। করোনার পর বাকি তলগুলি করেছি। আমাদের পর ওরা বাড়ি করেছে।’ যদিও মিঠুনবাবুর দাবি, তাঁর বাড়ির বয়স প্রায় ৬ বছর। বাড়ির জায়গায় আগে জলাজমি ছিল। সেই সঙ্গে তাঁর আরও দাবি, বাড়ি হেলে গেলেও আমাদের কোনও সমস্যা নেই। পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা ঘুরে গিয়েছেন।
এদিকে, বিধানগর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত দক্ষিণ নারায়ণপুর এলাকায় রাস্তার ধারে ছ’তলা একটি বাড়িও হেলে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে যান রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘কী করে হল, দেখছি। এখানে একটি বেসরকারি হাসপাতালের নার্সরা থাকতেন। দিন ১৫ আগেই তাঁদের সরানো হয়েছে। পুরসভা বিষয়টি দেখছে। ঠিক করা না গেলে ভেঙে ফেলা হবে।’ বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘দু’টি জায়গাতেই আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। নারায়ণপুরে আগেই আবাসিকদের সরানো হয়েছে। বাগুইআটির বহুতল দেখতে বুধবার ইঞ্জিনিয়ার পাঠানো হয়েছিল। তাঁরা রিপোর্ট দিয়েছেন। ইঞ্জিনিয়াররা দেখবেন, মেরামত করে ঠিক করা সম্ভব কি না। তা না হলে পুরসভার আইন মেনে ওই বহুতল ভেঙে দেওয়া হবে।’
এদিকে, বিধানগর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত দক্ষিণ নারায়ণপুর এলাকায় রাস্তার ধারে ছ’তলা একটি বাড়িও হেলে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে যান রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘কী করে হল, দেখছি। এখানে একটি বেসরকারি হাসপাতালের নার্সরা থাকতেন। দিন ১৫ আগেই তাঁদের সরানো হয়েছে। পুরসভা বিষয়টি দেখছে। ঠিক করা না গেলে ভেঙে ফেলা হবে।’ বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘দু’টি জায়গাতেই আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। নারায়ণপুরে আগেই আবাসিকদের সরানো হয়েছে। বাগুইআটির বহুতল দেখতে বুধবার ইঞ্জিনিয়ার পাঠানো হয়েছিল। তাঁরা রিপোর্ট দিয়েছেন। ইঞ্জিনিয়াররা দেখবেন, মেরামত করে ঠিক করা সম্ভব কি না। তা না হলে পুরসভার আইন মেনে ওই বহুতল ভেঙে দেওয়া হবে।’



