সংবাদদাতা, ইটাহার: বিঘোরের বেগুনের চাষ এখন ইটাহারেও। বিশালাকার এই বেগুন ফলিয়ে লাভবান ইটাহারের প্রায় ২০ জন কৃষক। বিঘাপ্রতি লাভ লক্ষাধিক টাকা। অধিক লাভের আশায় মহানন্দার পাড়ের কৃষকরা বিঘোরের বেগুন চাষ করছেন। ব্যতিক্রমী আবহাওয়ার কারণে বর্তমানে বিহার লাগোয়া উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহারের মহানন্দা নদীর ধারে গোড়াহার ও বিশাহারে প্রায় ২৫ বিঘা জমিতে চাষ হচ্ছে এই সুস্বাদু বেগুনের।
Advertisement
স্বাদের পাশাপাশি আকারের জন্য এই বেগুনের খ্যাতি গোটা রাজ্যে। চাষিরা বলছেন, একেকটি বেগুনের ওজন এক থেকে দুই কেজি। ইটাহারের গোড়াহার ও বিশাহারের কৃষকরা পরীক্ষামূলক ভাবে এই বেগুন চাষ করে সফল। তাঁরা কেউ ১ বিঘা, আবার কেউ ২ বিঘা জমিতে এই বেগুন চাষ করছেন। উদ্যান পালন দপ্তরের জেলা আধিকারিক সন্দীপ মহন্ত জানান, বিঘোরের বেগুন চাষে ইটাহারের আগ্রহী কৃষকরা পরামর্শ চাইলে প্রযুক্তিগতভাবে সহযোগিতা করা হবে।
এলাকার কৃষকরা বলছেন, আগস্ট থেকে ফেব্রুয়ারি- সাতমাস এই বেগুন চাষের সময়। শীতের কুয়াশা এই বেগুন ফলনের জন্য অনুকূল। বিঘা প্রতি ফলন প্রায় ৫০ কুইন্টাল। এক বিঘায় খরচ ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। আকারের উপর দাম নির্ভর করে। পাইকারি দাম ৫০ থেকে ১৫০ টাকা। লাভ তুলনামুলক বেশি হওয়ায় ইটাহারের কৃষকরা বিঘোরের বেগুন চাষ করছেন। গোড়াহারের কৃষক ইব্রাহিম আলি ও মোবারক হুসেন বলেন, বিঘোরের বেগুন চাষে পরিশ্রম বেশি। লাভও অন্য ফসলের তুলনায় বেশি। বিঘাতে প্রায় ১ লক্ষ টাকা লাভ হচ্ছে। নিজস্ব চিত্র
এলাকার কৃষকরা বলছেন, আগস্ট থেকে ফেব্রুয়ারি- সাতমাস এই বেগুন চাষের সময়। শীতের কুয়াশা এই বেগুন ফলনের জন্য অনুকূল। বিঘা প্রতি ফলন প্রায় ৫০ কুইন্টাল। এক বিঘায় খরচ ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। আকারের উপর দাম নির্ভর করে। পাইকারি দাম ৫০ থেকে ১৫০ টাকা। লাভ তুলনামুলক বেশি হওয়ায় ইটাহারের কৃষকরা বিঘোরের বেগুন চাষ করছেন। গোড়াহারের কৃষক ইব্রাহিম আলি ও মোবারক হুসেন বলেন, বিঘোরের বেগুন চাষে পরিশ্রম বেশি। লাভও অন্য ফসলের তুলনায় বেশি। বিঘাতে প্রায় ১ লক্ষ টাকা লাভ হচ্ছে। নিজস্ব চিত্র



