Bartaman Logo
১২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলায় এবার ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচি, তৈরি রূপরেখা

পশ্চিমবঙ্গে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচি চালু হতে চলেছে। কন্যা শিশুর নিরাপত্তা ও শিক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ। বিস্তারিত পড়ুন।

বাংলায় এবার ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচি, তৈরি রূপরেখা
  • ১২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গেও এবার ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচি। সম্প্রতি বারুইপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পুলিশি পদক্ষেপ করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এই আবহে রাজ্যে কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার। আর সেই লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সমাজকল্যাণ দপ্তরের মাধ্যমে শীঘ্রই ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচি চালু হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। পরবর্তীতে জনশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষাসহ অন্যান্য একাধিক দপ্তরকেও এই কর্মসূচিতে যুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

নবান্ন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে এই প্রকল্প রুপায়ণের রুপরেখা তৈরি হয়ে গিয়েছে। শীঘ্রই প্রতিটি জেলাকে এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো হবে। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হবে কন্যাভ্রূণ হত্যা ও লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য রোধ করার লক্ষ্যে প্রচার চালানো, কন্যা শিশুর নিরাপত্তা, পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, তাদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে মেয়েদের স্কুলছুটের হার কমানো, সমাজে কন্যাসন্তানের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট একটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।  
২০১৫ সালের এই কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্যান্য রাজ্যে চালু হলেও সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বরাদ্দে চলা এই প্রকল্প রূপায়িত হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। তবে সরকারে এসেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই মতো পদক্ষেপ করে নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দপ্তর। এই কর্মসূচি চালাতে বছরে প্রায় ৬ কোটি টাকা দেওয়া হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ