সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বিএসএফের উপর বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের হামলার ঘটনায় খুনের মামলা রুজু করল গঙ্গারামপুর থানা। বুধবার সকালে গঙ্গারামপুরের মল্লিকপুর ৯১ নম্বর বিওপিতে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। বিএসএফ বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের বাধা দিলে খণ্ড যুদ্ধ বাধে। বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের হামলায় জখম হন বিএসএফ জওয়ান। আত্মরক্ষায় বিএসএফ তিন রাউন্ড গুলি চালায়। ঘটনায় এক দুষ্কৃতী জখম হন। বুধবার রাতে গঙ্গারামপুর মল্লিকপুর বিওপি তরফে বিএসএফের উপর বাংলাদেশি দুষ্কৃতী বাহিনী হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
Advertisement
গঙ্গারামপুর থানা সরকারি কর্মীকে মারধর, খুনের চেষ্টা, সরকারি অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়া, সরকারি কাজে বাধা, সরকারি সম্পত্তি সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশি দুষ্কৃতী ও বিএসএফ জওয়ান গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গঙ্গারামপুর হাসপাতালে সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি যুবকের গুলি লাগলেও তা বেরিয়ে গিয়েছে ঘাড়ের পাশ দিয়ে। দু’জনের অবস্থা স্থিতিশীল, বর্তমানে চিকিৎসাধীন। পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, মল্লিকপুরে বর্ডারে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীর হামলায় জখম হয়েছেন বিএসএফ জওয়ান। আত্মরক্ষায় বিএসএফ গুলি চালিয়েছে। গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ করেছে। আমরা মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে দিয়েছি। বাংলাদেশি দুষ্কৃতী সুস্থ হয়ে উঠলেই আমরা হেফাজতে নিয়ে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মল্লিকপুর সীমান্তে ২০২০-২১ সালে কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয় ভূখণ্ডে ভারতীয়দের ৬৯ বাড়ি ছিল। সীমান্তে পারাপারের সমস্যার কারণে স্থানীয় প্রশাসন কাঁটাতারের এপারে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে। কিন্তু এখনও মল্লিকপুর এলাকার ৬৯ টি পরিবারের জমি রয়েছে কাঁটাতারের ওপারে।
এখন বিজিবির সাহায্য নিয়ে ভারতীয়দের জমি দখল করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। জিরো পয়েন্টের বাইরে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তে জমিতে মোটা আল দিয়ে ভারতীয় জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বিজিবি। কুশমণ্ডি সীমান্তে বিজিবির সাহায্যে ৪ জন অনুপ্রবেশ হয়েছে গত ৩ মাসে। যদিও বিএসএফের অভিযোগ সীমান্তে চোরাচালান ও ডাকাতির উদ্দেশ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। সুকদেবপুর এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য মৃণাল সরকার বলেন, কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয়দের জমি দখল করার চেষ্টা চলছে বিজিবির মদতে। আমরা বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানাব। রাজ্য সরকারের মাধ্যমে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চাইব।
বর্তমানে বাংলাদেশি দুষ্কৃতী ও বিএসএফ জওয়ান গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গঙ্গারামপুর হাসপাতালে সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি যুবকের গুলি লাগলেও তা বেরিয়ে গিয়েছে ঘাড়ের পাশ দিয়ে। দু’জনের অবস্থা স্থিতিশীল, বর্তমানে চিকিৎসাধীন। পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, মল্লিকপুরে বর্ডারে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীর হামলায় জখম হয়েছেন বিএসএফ জওয়ান। আত্মরক্ষায় বিএসএফ গুলি চালিয়েছে। গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ করেছে। আমরা মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে দিয়েছি। বাংলাদেশি দুষ্কৃতী সুস্থ হয়ে উঠলেই আমরা হেফাজতে নিয়ে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মল্লিকপুর সীমান্তে ২০২০-২১ সালে কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয় ভূখণ্ডে ভারতীয়দের ৬৯ বাড়ি ছিল। সীমান্তে পারাপারের সমস্যার কারণে স্থানীয় প্রশাসন কাঁটাতারের এপারে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে। কিন্তু এখনও মল্লিকপুর এলাকার ৬৯ টি পরিবারের জমি রয়েছে কাঁটাতারের ওপারে।
এখন বিজিবির সাহায্য নিয়ে ভারতীয়দের জমি দখল করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। জিরো পয়েন্টের বাইরে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তে জমিতে মোটা আল দিয়ে ভারতীয় জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বিজিবি। কুশমণ্ডি সীমান্তে বিজিবির সাহায্যে ৪ জন অনুপ্রবেশ হয়েছে গত ৩ মাসে। যদিও বিএসএফের অভিযোগ সীমান্তে চোরাচালান ও ডাকাতির উদ্দেশ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। সুকদেবপুর এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য মৃণাল সরকার বলেন, কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয়দের জমি দখল করার চেষ্টা চলছে বিজিবির মদতে। আমরা বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানাব। রাজ্য সরকারের মাধ্যমে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চাইব।



