Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

চেন্নাইকে হারিয়ে শীর্ষে বেঙ্গালুরু, মাত্র ১৪ বলে হাফ-সেঞ্চুরি শেফার্ডের

চেন্নাইকে হারিয়ে শীর্ষে বেঙ্গালুরু, মাত্র ১৪ বলে হাফ-সেঞ্চুরি শেফার্ডের
  • ৪ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

বেঙ্গালুরু: ১৮ ওভার শেষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর স্কোর ৫ উইকেটে ১৫৯। বিরাট কোহলি ও জেকব বেথেলের দুরন্ত শুরুর সত্ত্বেও দুশোর গণ্ডি টপকানোর আশা কার্যত শেষ হতে বসেছিল হোম টিমের। মনে হচ্ছিল, টেনেটুনে ১৮০ হতে পারে। শেষ দু’ওভারে আচমকা ঝড় উঠল চিন্নাস্বামীতে। প্রাকৃতিক নয়, রানের। বিধ্বংসী রোমারিও শেফার্ড নিমেষে বদলে দিলেন ম্যাচের গতিপথ। মাত্র ১৪ বলে পূর্ণ করলেন হাফ-সেঞ্চুরি, টুর্নামেন্টের ইতিহাসে যা দ্বিতীয় দ্রুততম। আর শেষ পর্যন্ত ক্যারিবিয়ান তারকার ৫৩ রানের এই অপরাজিত ইনিংসই ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দিল। শনিবার ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে চেন্নাই সুপার কিংসকে ২ রানে হারিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে আরসিবি তুলেছিল ৫ উইকেটে ২১৩। জবাবে চেন্নাই থামে ৫ উইকেটে ২১১ রানে। সেই সুবাদে টানা চার জয়ে টেবিলে শীর্ষস্থানে উঠে এলেন বিরাট কোহলিরা। ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের টিকিট কার্যত নিশ্চিত বেঙ্গালুরুর।

Advertisement

প্রশংসা করতে হবে চেন্নাইয়ের আয়ূষ মাতরেরও। অল্পের জন্য শতরান হাতছাড়া হলেও ক্রিকেটপ্রেমীদের মন জিতে নিয়েছেন ১৭ বছরের এই তরুণতুর্কি। ৪৮ বলে তাঁর ৯৪ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ৯টি চার ও ৫টি ছক্কায়। মাতরে আউট হওয়ার পর চেন্নাইকে টানছিলেন জাদেজা। শেষ ওভারে জয়ের জন্য হলুদ-বাহিনীর প্রয়োজন ছিল ১৫ রানের। ক্রিজে জাদেজার সঙ্গী ধোনি। তৃতীয় বলে মাহি (১২) আউট হলে চাপ বাড়ে চেন্নাইয়ের। কিন্তু ক্রিজে এসেই চতুর্থ বলে ছক্কা হাঁকান শিবম দুবে। তার উপর ‘নো বল’। ফলে ম্যাচ পেন্ডুলামের মতো দুলছিল। শেষ বলে দরকার ৪ রান। কিন্তু স্নায়ুর চাপ ধরে রেখে আরসিবিকে জয় এনে দিলেন পেসার যশ দয়াল। বিফলে গেল জাদেজার ৪৫ বলে অপরাজিত ৭৭ রানের ইনিংস। চেন্নাইয়ের বিদায় আগেই নিশ্চিত ছিল। শনিবারের হারে লজ্জা আরও বাড়ল ধোনিদের। ১১ ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানীতে ধুঁকছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
এদিকে, আরসিবি’র বড় রানের ভিতটা অবশ্য গড়ে দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি (৩৩ বলে ৬২) ও জেকব বেথেল (৩৩ বলে ৫৫)। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে তাঁরা তোলেন ৯৭ রান। তবে দুই ওপেনার আউট হতেই আরসিবির রানের গতিতে ভাটা পড়ে। বড় রান পাননি পাদিক্কাল (১৭), পাতিদার (১১) ও জিতেশ (৭)। শেষদিকে ঝড় তুলে আরসিবি’কে দুশোর ওপারে নিয়ে যান শেফার্ড। ১৯তম ওভারে খলিল আহমেদকে বে-আব্রু করে ৩৩ রান নেন তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ