নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: প্রথম দফায় উত্তর ২৪ পরগনার ৮১ হাজার উপভোক্তা বাংলার বাড়ির টাকা পেয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় এই জেলার প্রায় ৭১ হাজার উপভোক্তাকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। শুরু হয়ে গিয়েছে সার্ভের কাজ। চূড়ান্ত তালিকা সরকারি অফিসে প্রকাশ হবে ১০ নভেম্বর।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি সার্ভের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালের আবেদন অনুযায়ী সার্ভে হচ্ছে। দ্বিতীয় দফায় কাজের জন্য টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য সরকার। নবান্নের নির্দেশমতো উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ৭০ হাজার ৯২৮ জনকে দেওয়া হবে বাংলার বাড়ি। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে সার্ভের কাজ। ৬০ হাজার গ্রাহকের বাড়িতে সার্ভে হয়ে গিয়েছে। তবে এর মধ্যে বেশি উপভোক্তা মিনাখাঁ, হাসনাবাদ, বাদুড়িয়া, বনগাঁ ব্লকের। সরকারি আধিকারিকরা সার্ভে করার পর তালিকা টাঙানো হবে ব্লক, পঞ্চায়েত ও জেলা প্রশাসনের অফিসে। আর সাধারণ মানুষ সেই তালিকা দেখার পর কোনও অভিযোগ থাকলে তা জানাতে পারবেন। শেষে তালিকা অনুযায়ী টাকা দেওয়া হবে বলেই জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক কর্তা। দপ্তরের ওই কর্তা আরও জানিয়েছেন, মূলত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাড়ি বাড়ি সার্ভে। আর সীমান্ত এলাকাগুলিতে দেওয়া হচ্ছে নথি যাচাইয়ের উপর। প্রতি উপভোক্তাকে সশরীরে উপস্থিত থাকার কথা বলা হচ্ছে। একইসঙ্গে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধানে আবেদনের দিকটিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে আবেদনের দিকটিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যেটা বলেন সেটাই করেন। কেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল না হয়ে রাজ্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকেই এই আবারও ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দেবে। জেলায় উপভোক্তার সংখ্যা ৭০ হাজার। এদিকে বারাসত ২ ব্লকের দাদপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আব্দুল হাই বলেন, মুখ্যমন্ত্রী কথা চিরসত্য। উন্নয়নই দিদির আসল গ্যারান্টি।