Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

পেসারদের ব্যর্থতায় পিচকে দুষছে বাংলা

উত্তরাখণ্ড নয়, বাংলার বিপক্ষ যেন ইডেনেরই বাইশ গজ! অন্তত, ঘরের মাঠে রনজি অভিযানের শুরুতে এমনটাই মনে হচ্ছে। তৃতীয় দিনের শেষে অ্যাওয়ে দল (১৬৫-২) মাত্র ৫৫ রানে এগিয়ে, হাতে আট উইকেট।

পেসারদের ব্যর্থতায় পিচকে দুষছে বাংলা
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌরাংশু দেবনাথ, কলকাতা: উত্তরাখণ্ড নয়, বাংলার বিপক্ষ যেন ইডেনেরই বাইশ গজ!

Advertisement

অন্তত, ঘরের মাঠে রনজি অভিযানের শুরুতে এমনটাই মনে হচ্ছে। তৃতীয় দিনের শেষে অ্যাওয়ে দল (১৬৫-২) মাত্র ৫৫ রানে এগিয়ে, হাতে আট উইকেট। শনিবার সকালের আর্দ্রতা কাজে লাগাতে পারলে সরাসরি জয়ের সম্ভাবনা যথেষ্টই। বিশেষ করে ১৩ ওভার পরে দ্বিতীয় নতুন বলও মিলবে। মহম্মদ সামি আর আকাশদীপের মতো পেসার যে শিবিরে, তাদের তো ছয় পয়েন্টের স্বপ্নই দেখা উচিত। কিন্তু বাংলা শিবিরে সেই টগবগে ভাব উধাও। ঝাঁপিয়ে পড়ার আগ্রাসনের বদলে চলছে হোম অ্যাডভান্টেজ না পাওয়ার হা-হুতাশ আর অভিযোগের পালা। 
তার কারণও রয়েছে। সকালের সেশনে দুই দলের মিলিয়ে পড়েছিল পাঁচটি উইকেট। সুমন্ত গুপ্ত (৮২) হাতছাড়া করেন সেঞ্চুরি। দেবেন্দ্র বোরার (৬-৭৯) দাপটে অভিমন্যু ঈশ্বরণের দলের প্রথম ইনিংসে দাঁড়ি পড়ে ৩২৩ রানে। লিড ১২০। উত্তরাখণ্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতে না হতেই ধাক্কা দেন আকাশদীপ। সেই সময় মাঠে হাজির কেউ কেউ তো ইনিংসে জয়ের কল্পনাও করেছিলেন। এরপরই নাটকীয় পালাবদল। বাকি দুটো সেশনে পড়ল আর মাত্র একটাই উইকেট। প্রশান্ত চোপড়াকে (৮২) ফেরালেন বাঁ-হাতি স্পিনার বিশাল ভাট্টি। বাকি সময়টা শুধুই হতাশার। মহম্মদ সামিকে চারটি স্পেলে মোট ১৫ ওভার ব্যবহার করা হল। কিন্তু প্রথম স্পেলে দু’বার ছাড়া ব্যাটসম্যানকে বিব্রতই করতে পারেননি তিনি। উত্তরাখণ্ডের ক্যাপ্টেন কুনাল চান্ডেলার (৬৮ ব্যাটিং) ক্যাচ না পড়লে আকাশের নামের পাশে অবশ্য দুটো উইকেট থাকত। কিন্তু মাঠ ছেড়ে বেরনোর সময় তাঁর গলায় আপশোস, ‘কাঁধ তো প্রায় খুলে গেল। এটা ঘরের মাঠের পিচ?’ আর এই প্রশ্নই বাংলা শিবিরের কোরাসে পরিণত!

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ