Bartaman Logo
১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যপাল ইস্যুতে ধীরে চলো নীতি বঙ্গ বিজেপির

ভোটমুখী বাংলায় রাজ্যপাল ইস্যুতে আপাতত সতর্ক অবস্থানই নিতে চাইছে বিজেপি। রাজ্যপাল ইস্যুতে এই মুহূর্তে সাংগঠনিকভাবে কোনো মন্তব্য নয়।

রাজ্যপাল ইস্যুতে ধীরে চলো নীতি বঙ্গ বিজেপির
  • ৭ মার্চ, ২০২৬ ০৯:০৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভোটমুখী বাংলায় রাজ্যপাল ইস্যুতে আপাতত সতর্ক অবস্থানই নিতে চাইছে বিজেপি। রাজ্যপাল ইস্যুতে এই মুহূর্তে সাংগঠনিকভাবে কোনো মন্তব্য নয়। যা বলার তা বলবেন কেন্দ্রীয় নেতামন্ত্রীরাই। অযথা বেফাঁস কথা বলে সামগ্রিক পরিস্থিতি আরও ঘোরালো করে তুলবেন না। রাজ্য বিজেপির উদ্দেশে এমনই নির্দেশিকা জারি করতে চলেছে দলের শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।  ইতিমধ্যেই কংগ্রেস, তৃণমূল সহ অন্যান্য বিরোধী দল অভিযোগ করতে শুরু করেছে যে, ভোটের মুখে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এমন অবস্থান নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার।এহেন পরিস্থিতিতেই বিজেপির আশঙ্কা যে, রাজ্যে দলের নেতারা বেফাঁস কিছু বলে ফেললে তা আদতে গেরুয়া শিবিরের জন্যই ব্যুমেরাং হয়ে উঠবে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলি এই ইস্যুতে আক্রমণের আরও বড় হাতিয়ার পেয়ে যাবে। এমনিতেই রাজ্যে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্টই উদ্বেগ রয়েছে বিজেপির অন্দরে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু এলাকাগুলিতে দলের সংগঠনগত পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ— তা একান্তে মেনেও নিচ্ছেন দলের নেতারা। ফলে সব বিষয়ে মন্তব্য না করে কিছু প্রসঙ্গ দিল্লির জন্যও ছেড়ে রাখতে চাইছে বিজেপি। দলের একটি বড় অংশের ব্যাখ্যা, এর ফলে শ্যাম এবং কূল দু’টোই রক্ষা পাবে রাজ্য বিজেপির। শুক্রবার তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, রাজ্যপাল নিয়োগ করতে হলে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের সঙ্গে অবশ্যই আলোচনা করতে হয়। সারকারিয়া কমিশন কিংবা পুঞ্ছি কমিশনই একথা বলে গিয়েছে।  কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরা এদিন এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যপালদের গুরুত্ব কমিয়ে দিয়েছে। আগে রাজ্যপাল পদের যে মর্যাদা এবং ক্ষমতা ছিল, তা নষ্ট করে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। যখন যা ইচ্ছা করছেন। এমনকি ভোটমুখী রাজ্যেও রাজ্যপাল পাল্টানো হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ