Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিদেশের চা-কে ভারতীয় তকমা দিয়ে রপ্তানির জেরে কমছে কদর

বিদেশের চা-কে ভারতীয় তকমা দিয়ে রপ্তানির জেরে কমছে কদর
  • ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চায়ের বাজার কয়েকবছর ধরেই খারাপ যাচ্ছে, এমন অভিযোগ করে আসছে শিল্পমহল। তাদের বক্তব্য, চায়ের যে দাম পাওয়া উচিত, তা মিলছে না। এবার চা রপ্তানিকারী সংস্থাগুলি অভিযোগ আনল, এদেশে তুলনামূলক সস্তার চা আমদানি করা হচ্ছে অন্যান্য দেশ থেকে। গুণগত মানের দিক থেকে তা ভারতীয় চায়ের চেয়ে অনেকটাই নিম্ন। ওই চা ফের রপ্তানি করা হচ্ছে ভারতীয় চা হিসেবে। এতে যেমন বিশ্ববাজারে ভারতের চায়ের কদর কমছে, তেমনই সঠিক দামও মিলছে না, অভিযোগ এমনই। 
Advertisement
ইন্ডিয়ান টি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ভারতীয় চায়ের সঙ্গে বিদেশি চা মিশিয়ে রপ্তানি করা বেআইনি নয়। কিন্তু ২০০৫ সালের আইন অনুযায়ী, এই সংক্রান্ত তথ্য স্পষ্ট করে জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে। যদি ভারতের মাটিতে উৎপাদিত চা রপ্তানি করা হয়, তাহলে ১০০ শতাংশ ভারতীয় চা হিসেবে উল্লেখ করতে হবে রপ্তানিকারী সংস্থাকে। যদি তা না-হয়, তাহলে লিখতে হবে ‘মাল্টি অরিজিন’ বা বিভিন্ন দেশে উৎপন্ন চায়ের সংমিশ্রণ। 
কিন্তু সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না বলেই অভিযোগ করা হচ্ছে সংগঠনের তরফে। তাদের বক্তব্য, এই বিষয়ে চা পর্ষদের তদন্ত করে দেখা উচিত। কারণ, এতে এদেশের চায়ের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। অভিযোগ, কেনিয়া, ভিয়েতনাম ও ইরান থেকে এদেশে নিঃশুল্ক চা আসছে। তা ফের রপ্তানি করা হচ্ছে ‘ভারতীয় চা’ হিসেবে। রপ্তানিকারী সংস্থাগুলির অভিযোগ, বিদেশ থেকে যে চা আসছে, তার অনেকটাই বেআইনি পথে ঢুকছে। তার প্রমাণ, কেনিয়া এবং ভারতের চায়ের আমদানি ও রপ্তানির সরকারি তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যা এতটাই প্রকট হয়েছে, তা গত ৮ থেকে ১০ মাসে বিক্রিবাটা একপ্রকার থমকে দিয়েছে, জানিয়েছে রপ্তানিকারী সংস্থাগুলি। রপ্তানির ক্ষেত্রে কিলো প্রতি চায়ের দাম ৮০ টাকা কমে গিয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ