শিবাজী চক্রবর্তী, কলকাতা: রাগে ফুঁসছেন তিনি। আধপোড়া সিগারেট ছাইদানিতে গোঁজার মাঝে সুব্রত ভট্টাচার্য কখনও ‘বিস্ফোরক’, কখনও তাঁর গলায় তীব্র বিরক্তি। ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে রীতিমতো আশঙ্কিত ময়দানের বাবলু। চলতি বছরে একটিও আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিততে ব্যর্থ জাতীয় দল। সোমবার ফিফা ফ্রেন্ডলিতে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করেছে মানোলো মার্কুয়েজ ব্রিগেড। ম্যাচ দেখে হতাশ সুব্রত। জঘন্য ভুলে নিয়মিত গোল খাচ্ছেন গুরপ্রীত। বিস্মিত বাবলুর মন্তব্য, ‘এত কিছুর পরেও বিশাল কাইথকে বসিয়ে রাখা অপরাধ।’
Advertisement
বিদেশি কোচেদের নিয়ে তাঁর অ্যালার্জি নতুন নয়। সুব্রতর স্পষ্ট কথা, ‘বিদেশি কোচেদের ভগবান বানানো বন্ধ হোক। প্রদীপদা, অমলদার ধারেকাছে আসবে না ওঁরা। এবার গিমিক ছেড়ে স্বদেশি কোচে আস্থা রাখুক এআইএফএফ। ফল এর চেয়ে খারাপ হবে না।’ টেবিল চাপড়ে বললেন, ‘প্রো লাইসেন্সধারী ভারতীয় কোচেরা নিজেদের প্রমাণের জায়গা পায় না। আসলে এদেশের ফুটবলের গোড়ায় গলদ। বেসিকই ঠিক নেই। সেখানে বিদেশি কোচের চাপিয়ে দেওয়া ট্যাকটিক্স আর স্ট্র্যাটেজি সস্তার চমক ছাড়া কিছুই নয়। গালভরা প্রতিশ্রুতি ছাড়া গ্রাসরুট ডেভেলপমেন্ট স্রেফ শূন্য।’ অবিলম্বে ডিসিএম, ফেডারেশন কাপ, রোভার্স কাপ, স্ট্যাফোর্ডের মতো বন্ধ টুর্নামেন্ট চালু করার দাবি তুললেন তিনি।
ফেডারেশন কর্তাদেরও তুলোধনা করলেন সুব্রত। ভিশন ২০৪৭ শুনে তাচ্ছিল্যের হাসি ‘ওটা ভিশন নয়, ভীষণ ২০৪৭। ফুটবলার তুলে আনার কোনও পরিকল্পনা নেই। বিশ্বকাপ স্রেফ দিবাস্বপ্ন। আসলে ভারতীয় ফুটবল এখন মুনাফা লোটার জায়গা।’ পাশাপাশি বাংলার ফুটবল নিয়েও চিন্তিত বাবলু। ভারতীয় দলে নেই কোনও বাঙালি। এমন দিনও দেখতে হচ্ছে। কিন্তু সমাধানের রাস্তা ঠিক কী? এক্ষেত্রে কার্যত চাঁদমারিতে লক্ষ্যভেদ অর্জুন সুব্রতর। তাঁর পরামর্শ, ‘প্রতিভা আছে। কিন্তু তাদের চিনে নেওয়ার লোকের অভাব। জেলায় জেলায় অন্তত দু’জন করে টেকিনিক্যাল ব্যক্তিত্ব নিয়োগ করা উচিত। চ্যালেঞ্জ করছি, এক বছরের মধ্যে ফল মিলবেই।’ তবে সন্তোষ ট্রফির বাংলা দল নিয়ে বেশ আশাবাদী এই প্রাক্তন ফুটবলার। একইসঙ্গে সঞ্জয় সেনের দলকে নিয়ে তাঁর সতর্কবার্তা, ‘দিল্লি এখনও অনেক দূর। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখালেই ডুবতে হবে।’
ঠোঁটকাটা, বিতর্কিত একইসঙ্গে বর্ণময় চরিত্র সুব্রত। তবে এখনকার কর্পোরেট ময়দানের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেন না কিছুতেই। পার্ক স্ট্রিটের কফিশপে কতিপয় বন্ধুদের সঙ্গেই সময় কাটান তিনি। বললেন, ‘সারা বছর ক্লোজড ডোর প্র্যাকটিস। অনুশীলন দেখার জো নেই। মোহন বাগান, ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের আবেগ বোঝে না কর্পোরেট কোম্পানি। পুরনো দিন ফিরবে না কখনও।’ রাগ ঝেড়ে ফেলে সুব্রত’র দৃষ্টি কেমন ঘোলাটে। ঠিক ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতের মতো।
ফেডারেশন কর্তাদেরও তুলোধনা করলেন সুব্রত। ভিশন ২০৪৭ শুনে তাচ্ছিল্যের হাসি ‘ওটা ভিশন নয়, ভীষণ ২০৪৭। ফুটবলার তুলে আনার কোনও পরিকল্পনা নেই। বিশ্বকাপ স্রেফ দিবাস্বপ্ন। আসলে ভারতীয় ফুটবল এখন মুনাফা লোটার জায়গা।’ পাশাপাশি বাংলার ফুটবল নিয়েও চিন্তিত বাবলু। ভারতীয় দলে নেই কোনও বাঙালি। এমন দিনও দেখতে হচ্ছে। কিন্তু সমাধানের রাস্তা ঠিক কী? এক্ষেত্রে কার্যত চাঁদমারিতে লক্ষ্যভেদ অর্জুন সুব্রতর। তাঁর পরামর্শ, ‘প্রতিভা আছে। কিন্তু তাদের চিনে নেওয়ার লোকের অভাব। জেলায় জেলায় অন্তত দু’জন করে টেকিনিক্যাল ব্যক্তিত্ব নিয়োগ করা উচিত। চ্যালেঞ্জ করছি, এক বছরের মধ্যে ফল মিলবেই।’ তবে সন্তোষ ট্রফির বাংলা দল নিয়ে বেশ আশাবাদী এই প্রাক্তন ফুটবলার। একইসঙ্গে সঞ্জয় সেনের দলকে নিয়ে তাঁর সতর্কবার্তা, ‘দিল্লি এখনও অনেক দূর। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখালেই ডুবতে হবে।’
ঠোঁটকাটা, বিতর্কিত একইসঙ্গে বর্ণময় চরিত্র সুব্রত। তবে এখনকার কর্পোরেট ময়দানের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেন না কিছুতেই। পার্ক স্ট্রিটের কফিশপে কতিপয় বন্ধুদের সঙ্গেই সময় কাটান তিনি। বললেন, ‘সারা বছর ক্লোজড ডোর প্র্যাকটিস। অনুশীলন দেখার জো নেই। মোহন বাগান, ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের আবেগ বোঝে না কর্পোরেট কোম্পানি। পুরনো দিন ফিরবে না কখনও।’ রাগ ঝেড়ে ফেলে সুব্রত’র দৃষ্টি কেমন ঘোলাটে। ঠিক ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতের মতো।



