নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: গঙ্গার ধারে সরকারি জমি দিনের পর দিন বেহাত হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি বিশেষ করে নজরে পড়ছে উত্তর বারাকপুর পুরসভার মণিরামপুরের দু’পয়সার ঘাট এলাকায়। ওই ঘাটের দু’পাশে প্রায় নয় একর সরকারি জমি দখল হয়ে গিয়েছে বলে উত্তর বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় ঘোষের অভিযোগ। এই অভিযোগ তিনি জানিয়েছেন জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী, পরিবহণ সচিব সৌমিত্র মোহনকে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমি মাপজোক করা শুরু হয়েছে। পুরসভা, বিএলআরও, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা ইতিমধ্যে দু’পয়সার ঘাট এলাকা ঘুরে দেখেছেন।
Advertisement
মণিরামপুরের দু’পয়সার ফেরিঘাট দিয়ে রোজ হাজার হাজার যাত্রী পারাপার করেন। গঙ্গার ওপাড়ে রয়েছে শেওড়াফুলি। এই ঘাটের দু’দিকে প্রায় ন’একর সরকারি খাস জমি রয়েছে। কয়েক বছর আগে পর্যন্ত এই জমি ফাঁকা পড়েছিল। গঙ্গার ধার ঘেঁষে ন’খানা ইটভাটা ছিল। বর্তমানে একটি ইটভাটা রয়েছে, বাকি সব বন্ধ। এদিকে ক্রমে সেই জায়গা জবরদখল হয়ে যাচ্ছে। চলছে সাইকেল, বাইক স্ট্যান্ড।
সরকারি জমিতেই সাইকেল গ্যারাজ তৈরি করেছেন রাম ঘোষ। বললেন, আমি এখানে ১৯৭৩ সাল থেকে আছি। সরকারি জায়গা হলেও আচমকা কাউকে তোলা সম্ভব নয়। সঠিক পুনর্বাসন না দিলে আমাদের এখান থেকে উঠব না। পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় ঘোষ বলেন, গঙ্গার ঘাটের কাছে বেশ কিছু সরকারি খাস জমি জবরদখল হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এলাকার লোকজন সেখানে বসবাস করছেন। এটা একেবারেই বেআইনি। আমরা বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি। আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হলে, আমরা ওই জমিতে একাধিক সরকারি প্রকল্প করবো। প্রয়োজনে বাসস্ট্যান্ডও করতে পারি। ওই জমি অবিলম্বে যাতে আমরা ফেরত পাই, সেইজন্যই দরবার করেছি। কারণ যেভাবে একের পর এক জমি সেখানে বেহাত হয়ে যাচ্ছে, তাতে আগামী দিনে ওই এলাকার গোটাটাই জবরদখলকারীদের দখলে চলে যাবে। আমরা সেটা হতে দেব না। অবিলম্বে জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। - নিজস্ব চিত্র
সরকারি জমিতেই সাইকেল গ্যারাজ তৈরি করেছেন রাম ঘোষ। বললেন, আমি এখানে ১৯৭৩ সাল থেকে আছি। সরকারি জায়গা হলেও আচমকা কাউকে তোলা সম্ভব নয়। সঠিক পুনর্বাসন না দিলে আমাদের এখান থেকে উঠব না। পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় ঘোষ বলেন, গঙ্গার ঘাটের কাছে বেশ কিছু সরকারি খাস জমি জবরদখল হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এলাকার লোকজন সেখানে বসবাস করছেন। এটা একেবারেই বেআইনি। আমরা বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি। আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হলে, আমরা ওই জমিতে একাধিক সরকারি প্রকল্প করবো। প্রয়োজনে বাসস্ট্যান্ডও করতে পারি। ওই জমি অবিলম্বে যাতে আমরা ফেরত পাই, সেইজন্যই দরবার করেছি। কারণ যেভাবে একের পর এক জমি সেখানে বেহাত হয়ে যাচ্ছে, তাতে আগামী দিনে ওই এলাকার গোটাটাই জবরদখলকারীদের দখলে চলে যাবে। আমরা সেটা হতে দেব না। অবিলম্বে জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। - নিজস্ব চিত্র



