নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যেকোনও শাখা বা বিষয়ের গ্র্যাজুয়েশন কোর্সে আবশ্যিকভাবেই পড়াতে হবে পরিবেশ বিদ্যা। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও উপাচার্যদের চিঠি দিয়ে নির্দেশ দিল ইউজিসি। সম্প্রতি চিঠি দিয়ে ইউজিসি মনে করিয়ে দিয়েছে, বাধ্যতামূলকভাবে পরিবেশ বিদ্যা পড়ানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে। এছাড়া, জাতীয় শিক্ষা নীতিতেও একথা বলা হয়েছে। যেমন তেমন ভাবে কোর্সটি করালেই চলবে না। জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সুস্থায়ী উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পরিবেশের চ্যালেঞ্জগুলিকে পাঠ্যে রাখতেই হবে।
Advertisement
স্নাতক স্তরে পরিবেশ বিদ্যা পড়ানোর জন্য ইউজিসি ইতিমধ্যেই একটি বই তৈরি করেছে। অভিন্ন সিলেবাসের কথা বলে ঘুরিয়ে সেই বইটিকেই পাঠ্য করার জন্য বলছে তারা। প্রসঙ্গত, এমনিতেই এরাজ্যে প্রথম সেমেস্টারে ৫০ নম্বরের পরিবেশ বিদ্যা আবশ্যিক রয়েছে। সেই নম্বর যোগও হয়। এমনিতে প্রথম বর্ষে ৫০ নম্বরের পরিবেশ বিজ্ঞান ১৫-১৬ বছর আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে রয়েছে। তবে এখন নিয়মে খানিক বদল হয়েছে। চয়েস বেসড ক্রেডিট সিস্টেমে (সিবিসিএস) দুটি ক্রেডিটে পড়তে হবে পরিবেশ বিদ্যা। অর্থাৎ দুটি সেমেস্টারে ক্রেডিটগুলি ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
এক কলেজ শিক্ষক বলেন, এরাজ্যের সর্বত্রই পরিবেশ বিদ্যার কোর্সটি বাধ্যতামূলক। তবে সমস্যা হল, বহু প্রতিষ্ঠানেই বিষয়টির ক্লাস সেভাবে হয় না। আর ভিন রাজ্যের বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ বিদ্যাকে এখনও বাধ্যতামূলকভাবে পড়ানো হয় না। সেই কারণেই ইউজিসির এই বিজ্ঞপ্তি। এক উপাচার্য বলেন, ইতিমধ্যেই ইউজিসিকে এ নিয়ে আমরা রিপোর্ট এবং মতামত পাঠিয়েছি। বিভিন্ন সমস্যায় অনেক কলেজে যে নিয়মিত ক্লাস হয় না, উল্লেখ করা হয়েছে সেটাও।
এক কলেজ শিক্ষক বলেন, এরাজ্যের সর্বত্রই পরিবেশ বিদ্যার কোর্সটি বাধ্যতামূলক। তবে সমস্যা হল, বহু প্রতিষ্ঠানেই বিষয়টির ক্লাস সেভাবে হয় না। আর ভিন রাজ্যের বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ বিদ্যাকে এখনও বাধ্যতামূলকভাবে পড়ানো হয় না। সেই কারণেই ইউজিসির এই বিজ্ঞপ্তি। এক উপাচার্য বলেন, ইতিমধ্যেই ইউজিসিকে এ নিয়ে আমরা রিপোর্ট এবং মতামত পাঠিয়েছি। বিভিন্ন সমস্যায় অনেক কলেজে যে নিয়মিত ক্লাস হয় না, উল্লেখ করা হয়েছে সেটাও।



