সংবাদদাতা, পতিরাম: বাড়ির ভিতরে বধূর অর্ধনগ্ন ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ায় শোরগোল। অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেয়ে বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে যান বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস। তিনি বলেন, দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে।
Advertisement
পরিবার সূত্রে খবর, মৃত বধূর নাম সোমা দাস (২৬)। বাড়ি বালুরঘাট শহরে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তমাশা মাঠ সংলগ্ন এলাকায়। ১১ বছর আগে হিলির সোমার সঙ্গে বালুরঘাটের সন্দীপন মহন্তের বিয়ে হয়। তাঁরা বালুরঘাটের ওই এলাকায় ভাড়া থাকতেন। বধূর বাপের বাড়ির অভিযোগ, পেশায় টোটোচালক সন্দীপন মদ্যপ অবস্থায় সোমাকে মারধর করতেন। শনিবারও একই ঘটনা ঘটে। তারপরই পর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বধূর বোন রিমা দাস বলেন, দিদিকে কীভাবে অর্ধনগ্ন অবস্থায় পাওয়া গেল বুঝতে পারছি না। আমি যখন গিয়েছিলাম কাউকে দেখতে পাইনি। ফোনে বলা হয়েছিল দিদি সুইসাইড করেছে। পোশাক কীভাবে ছিঁড়ল? দিদিকে কেন আটকানো হয়নি? এমন নানা প্রশ্ন সামনে আসছে। এই মৃত্যু স্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে না। আমরা থানায় অভিযোগ করব। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল। মারধর বা খুন করার কোনও বিষয় নেই। আমি বাইরে ছিলাম। স্ত্রী ফোনে বলেছিল ছ’টার মধ্যে আসতে হবে। আমার প্রায় সাড়ে ছ’টা বেজে যায়। এটা নিয়ে ঝগড়া হলে ও বাইরে চলে যাচ্ছিল। আমি আটকাতে গেলে নাইটির পিছন দিকটা ছিঁড়ে যায়। তারপর বাইরে চলে গিয়েছিলাম। এসে দেখি স্ত্রী সুইসাইড করেছে।



