সংবাদদাতা, বনগাঁ: গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করল গাইঘাটা থানার পুলিস। ধৃতের নাম রাজু বিশ্বাস। জানা গিয়েছে, ঠান্ডা পানীয় খাইয়ে বেহুঁশ করে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। সেই দৃশ্য ভিডিও করে চলে ব্ল্যাকমেল। এভাবে ওই গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করে ওই যুবক। অবশেষে পুলিসের দ্বারস্থ হন গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে গাইঘাটা থানা এলাকায়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস অভিযুক্ত রাজু বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতকে মঙ্গলবার বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
জানা গিয়েছে, গত বছর দুর্গাপুজোর সময় রাজু ব্যবসার নাম করে তার গোডাউনে নিয়ে যায় ওই গৃহবধূকে। সেখানে তাঁকে ঠান্ডা পানীয় খাইয়ে বেহুঁশ করে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। সেই দৃশ্য ভিডিও করে রাখে রাজু। মহিলার অভিযোগ, সেই ভিডিও দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেল করে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে অভিযুক্ত।
অন্যদিকে, তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে প্রতিবেশী গৃহশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে গাইঘাটা থানার পুলিস। ধৃতের নাম নয়ন বিশ্বাস। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক ন’বছরের ওই ছাত্রীকে টিউশন পড়াত। সোমবার নয়নের বাড়িতে টিউশন পড়তে গেলে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হলে নাবালিকার পরিবার গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তে নেমে পুলিস নয়নকে গ্রেপ্তার করে। জানা গিয়েছে, বাকি পড়ুয়াদের আগে ছুটি দিলেও ওই নাবালিকাকে আটকে রাখত অভিযুক্ত। পুলিস ধৃতের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করেছে। ধৃতকে মঙ্গলবার বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
এদিকে, বউদির সঙ্গে সহবাসের পর তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকার করায় দেওরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের নাম সাহারুল মণ্ডল। সে স্বরূপনগরের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, অভিযোগকারিণী সম্পর্কে অভিযুক্তের বউদি। তিন বছর আগে সে বউদিকে নিয়ে পালিয়ে যায় এবং বনগাঁয় ভাড়াবাড়িতে থাকতে শুরু করে। কিছুদিন পর সাহারুল জানতে পারে, বউদি গর্ভবতী। এরপর তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। মহিলা গাইঘাটায় বাপের বাড়িতে চলে আসেন। অভিযোগ, সেখানেও মহিলাকে নানাভাবে হুমকি দেয় অভিযুক্ত। শেষমেশ জানুয়ারি মাসে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মহিলা।
অন্যদিকে, তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে প্রতিবেশী গৃহশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে গাইঘাটা থানার পুলিস। ধৃতের নাম নয়ন বিশ্বাস। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক ন’বছরের ওই ছাত্রীকে টিউশন পড়াত। সোমবার নয়নের বাড়িতে টিউশন পড়তে গেলে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হলে নাবালিকার পরিবার গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তে নেমে পুলিস নয়নকে গ্রেপ্তার করে। জানা গিয়েছে, বাকি পড়ুয়াদের আগে ছুটি দিলেও ওই নাবালিকাকে আটকে রাখত অভিযুক্ত। পুলিস ধৃতের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করেছে। ধৃতকে মঙ্গলবার বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
এদিকে, বউদির সঙ্গে সহবাসের পর তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকার করায় দেওরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের নাম সাহারুল মণ্ডল। সে স্বরূপনগরের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, অভিযোগকারিণী সম্পর্কে অভিযুক্তের বউদি। তিন বছর আগে সে বউদিকে নিয়ে পালিয়ে যায় এবং বনগাঁয় ভাড়াবাড়িতে থাকতে শুরু করে। কিছুদিন পর সাহারুল জানতে পারে, বউদি গর্ভবতী। এরপর তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। মহিলা গাইঘাটায় বাপের বাড়িতে চলে আসেন। অভিযোগ, সেখানেও মহিলাকে নানাভাবে হুমকি দেয় অভিযুক্ত। শেষমেশ জানুয়ারি মাসে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মহিলা।



