নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বড়বাজার এলাকার সিনাগগ স্ট্রিটে বেসরকারি সংস্থার অফিসে লুটের ঘটনাকে ঘিরে রহস্য ছড়িয়েছে। কলিং বেল টিপতেই সেখানকার কর্মী দরজা খুলে কেন ‘অনাহূত’দের ভিতরে আসার সুযোগ করে দিলেন, তাই নিয়ে জট কাটছে না। অভিযোগ, তিন দুষ্কৃতী সোমবার ওই অফিস থেকে ১৩ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গিয়েছে। তার ভিত্তিতে পুলিসি তদন্ত শুরু হয়েছে। ওই অফিসের কর্মী সহ অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিনাগগ স্ট্রিটের ১০তলার একটি বহুতলের পাঁচতলায় এই অফিসটি রয়েছে। বেসরকারি সংস্থাটিতে আর্থিক কাজকর্ম চলে। প্রতিদিন এখানে বিপুল পরিমাণ নগদ আসে ও বেরিয়ে যায়। এই অফিসে রামজি নামে এক কর্মী রয়েছেন। তিনি গোটা অফিস সামলান। সংস্থার মালিক নরেন্দ্র ভাটিয়া মাঝেমধ্যে অফিসে আসেন। পাঁচতলায় আরও কয়েকটি সম্প্রতি বিক্রি করে ভালো টাকা পেয়েছেন ভাটিয়া। পুলিসের কাছে জমা করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সোমবার বিকেল ৫.১০ মিনিট নাগাদ তিনজন এই বিল্ডিংয়ে আসে। লিফটে করে তারা সোজা চলে যায় পাঁচতলায়। আগন্তুকদের দু’জনের মাথায় ছিল সাদা টুপি, অন্যজনের লাল। একজনের পিঠে ব্যাগ ছিল। কলিং বেলে টেপে একজন। দরজা খুলতেই অফিসে ভিতর ঢুকে পড়ে দুজন। লাল টুপি পরে আসা যুবক বাইরে থেকে সমস্ত কিছু নজর রাখছিল। পাঁচ মিনিট পর ভিতরে চলে যায় সেও। মিনিট দশেক পরে তিনজনই বেরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে যায়। একজনের হাতে তখন বাড়তি একটি কালো রঙের ব্যাগ দেখা যাচ্ছিল।
পুলিস জেনেছে, দুষ্কৃতীরা চলে যাবার পর কর্মচারী রামজি ফোন করে বিষয়টি জানান নরেন্দ্রবাবুকে। ঘটনা শুনেই মালিক পাশের দোকানের কর্মী শাকিলকে বলেন, তাঁর অফিসে লুটের ঘটনা ঘটেছে। কী হয়েছে দেখতে বলেন। শাকিলের কথায়, তখন অফিসের দরজা খোলা ছিল। তিনি ভিতরে এসে দেখেন, চেয়ারে বসে রয়েছেন রামজি। তাঁর নাক দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে।. গলায় প্লাস্টিকের প্যাকেট প্যাঁচানো। একটি হাত বাঁধা। তাঁকে দেখে রামজি জানান, দুষ্কৃতীরা মারধর করে অফিস থেকে ১৩ লক্ষ টাকা নিয়ে চলে গিয়েছে। গলায় প্লাস্টিক প্যাঁচিয়ে মারার চেষ্টা হয়। ঘটনার সময় নিরাপত্তা রক্ষী ছিলেন। খবর দেওয়া হয় বড়বাজার থানায়। পুলিস এসে ওই কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে। নেওয়া হয় ভিডিও ফুটেজ। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়।
তদন্তে নেমে বেশ কয়েকটি বিষয় ভাবাচ্ছে পুলিসকে। ওই কর্মী গেট খুলে দেওয়ার পর বহিরাগত দেখেও কেন বাধা দিলেন না। আর ঘটনার পর তিনি চিৎকার করলেন না কেন? এই ফ্লোরের অন্য অফিসের কর্মীরা তাহলে বেরিয়ে আসতেন। আর দুই হাত বেঁধে দেওয়া হলেও তিনি খুললেন কী করে? মালিককে ফোনই বা করলেন কী করে? তদম্তকারীদের সন্দেহ, ভিতরের কেউ এতে জড়িত রয়েছে। দুষ্কৃতীরা পরিচিত হওয়ায় অনায়াসে ঢুকে যায়। অফিসে যে ১৩ লক্ষ টাকা রয়েছে, সে খবর আগাম পৌঁছে গিয়েছিল ‘আগন্তুক’দের কাছে। অফিসের কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীকে জেরা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁদের ফোন খতিয়ে দেখে জানার চেষ্টা চলছে, ঠিক কারা কারা ফোন করেছিল। এই সূত্রেই দুষ্কৃতীদের হদিশ করার চেষ্টা চলছে।
পুলিস জেনেছে, দুষ্কৃতীরা চলে যাবার পর কর্মচারী রামজি ফোন করে বিষয়টি জানান নরেন্দ্রবাবুকে। ঘটনা শুনেই মালিক পাশের দোকানের কর্মী শাকিলকে বলেন, তাঁর অফিসে লুটের ঘটনা ঘটেছে। কী হয়েছে দেখতে বলেন। শাকিলের কথায়, তখন অফিসের দরজা খোলা ছিল। তিনি ভিতরে এসে দেখেন, চেয়ারে বসে রয়েছেন রামজি। তাঁর নাক দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে।. গলায় প্লাস্টিকের প্যাকেট প্যাঁচানো। একটি হাত বাঁধা। তাঁকে দেখে রামজি জানান, দুষ্কৃতীরা মারধর করে অফিস থেকে ১৩ লক্ষ টাকা নিয়ে চলে গিয়েছে। গলায় প্লাস্টিক প্যাঁচিয়ে মারার চেষ্টা হয়। ঘটনার সময় নিরাপত্তা রক্ষী ছিলেন। খবর দেওয়া হয় বড়বাজার থানায়। পুলিস এসে ওই কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে। নেওয়া হয় ভিডিও ফুটেজ। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়।
তদন্তে নেমে বেশ কয়েকটি বিষয় ভাবাচ্ছে পুলিসকে। ওই কর্মী গেট খুলে দেওয়ার পর বহিরাগত দেখেও কেন বাধা দিলেন না। আর ঘটনার পর তিনি চিৎকার করলেন না কেন? এই ফ্লোরের অন্য অফিসের কর্মীরা তাহলে বেরিয়ে আসতেন। আর দুই হাত বেঁধে দেওয়া হলেও তিনি খুললেন কী করে? মালিককে ফোনই বা করলেন কী করে? তদম্তকারীদের সন্দেহ, ভিতরের কেউ এতে জড়িত রয়েছে। দুষ্কৃতীরা পরিচিত হওয়ায় অনায়াসে ঢুকে যায়। অফিসে যে ১৩ লক্ষ টাকা রয়েছে, সে খবর আগাম পৌঁছে গিয়েছিল ‘আগন্তুক’দের কাছে। অফিসের কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীকে জেরা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁদের ফোন খতিয়ে দেখে জানার চেষ্টা চলছে, ঠিক কারা কারা ফোন করেছিল। এই সূত্রেই দুষ্কৃতীদের হদিশ করার চেষ্টা চলছে।



