ঢাকা ও নয়াদিল্লি: সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। একাধিক মন্দিরে হামলার অভিযোগও উঠেছে। এই দুই ইস্যুতে পদ্মাপারের রাস্তায় নেমেছেন সংখ্যালঘু হিন্দুরা। আন্দোলন ভাঙতে নির্বিচারে ধরপাকড়ের অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এই আবহে আদালতে ইসকনকে ‘ধর্মীয় মৌলবাদী সংগঠন’ বলে দেগে দিল মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার! যা ঘিরে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এর মধ্যেই আরও একজন সন্ন্যাসীর গ্রেপ্তারির খবর সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, ভারতে যাওয়ার সময় স্বরূপ দাস নামে চট্টগ্রামের ওই সন্ন্যাসীকে গ্রেপ্তার করে আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিস।
Advertisement
ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে বাংলাদেশ হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন এক আইনজীবী। চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের জামিনের আর্জি খারিজের পর যেভাবে হিংসার জেরে আইনজীবী সইফুল ইসলামকে খুনের ঘটনা ঘটে, সেই বিষয়েও আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। শুনানি চলাকালীন ইসকন সম্পর্কে সরকারের মত জানতে চায় আদালত। সরকারের তরফে বলা হয়েছে, ইসকনের যাবতীয় কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ইসকন কোনও রাজনৈতিক দল নয়। এটি একটি ধর্মীয় মৌলবাদী সংগঠন।’ এর পরেই ইসকন সম্পর্কে সরকারের অবস্থান ও সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
বাংলাদেশ সরকারের এই অবস্থানে ক্ষোভ জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান সরকার যে মৌলবাদীদের হাতের মুঠোয় চলে গিয়েছে, সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নির্যাতনের ঘটনাই তার প্রমাণ।’ চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেপ্তারির নিন্দা করে রাষ্ট্রসঙ্ঘের হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন তিনি। সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা তার পাশে আছি।’
বাংলাদেশে ইসকনের সন্ন্যাসী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের উপর হামলার প্রতিবাদে এদিন আগরতলা, কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ মিছিল হয়। ইউনুস সরকার ও প্রশাসনের ভূমিকার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম ও রংপুর সহ একাধিক জেলায় রাস্তায় নেমেছেন হিন্দুরা। প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়ের অভিযোগও উঠছে। আইনজীবী খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। এই অবস্থায় জনগণকে সংযত থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের নেতা মাসুদ রানা। গোটা পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তিন মাস না যেতেই আসল চেহারা বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে।’
পদ্মাপারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকার ভূমিকার প্রতিবাদে একদিন আগেই কড়া বিবৃতি দিয়েছিল কেন্দ্র। কিছুক্ষণের মধ্যেই ইউনুস সরকার পাল্টা জানায়, এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের চাপানউতোরের মধ্যেই এবার বাংলাদেশে ইসকনকে মৌলবাদী সংগঠনের তকমা দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণার ছক সামনে এল। এনিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা কলকাতা শাখার মুখপাত্র রাধারমন দাসও। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন আমাদের হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমরা তারই অপেক্ষায় রয়েছি। বাংলাদেশে বন্যার সময়ও আমরা অসংখ্য মানুষের সেবা করেছি। বিশ্বজুড়ে আমরা কোটি কোটি মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করি। তা সত্ত্বেও আমাদের মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন বলা হচ্ছে!’
বাংলাদেশ সরকারের এই অবস্থানে ক্ষোভ জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান সরকার যে মৌলবাদীদের হাতের মুঠোয় চলে গিয়েছে, সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নির্যাতনের ঘটনাই তার প্রমাণ।’ চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেপ্তারির নিন্দা করে রাষ্ট্রসঙ্ঘের হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন তিনি। সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা তার পাশে আছি।’
বাংলাদেশে ইসকনের সন্ন্যাসী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের উপর হামলার প্রতিবাদে এদিন আগরতলা, কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ মিছিল হয়। ইউনুস সরকার ও প্রশাসনের ভূমিকার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম ও রংপুর সহ একাধিক জেলায় রাস্তায় নেমেছেন হিন্দুরা। প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়ের অভিযোগও উঠছে। আইনজীবী খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। এই অবস্থায় জনগণকে সংযত থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের নেতা মাসুদ রানা। গোটা পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তিন মাস না যেতেই আসল চেহারা বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে।’
পদ্মাপারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকার ভূমিকার প্রতিবাদে একদিন আগেই কড়া বিবৃতি দিয়েছিল কেন্দ্র। কিছুক্ষণের মধ্যেই ইউনুস সরকার পাল্টা জানায়, এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের চাপানউতোরের মধ্যেই এবার বাংলাদেশে ইসকনকে মৌলবাদী সংগঠনের তকমা দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণার ছক সামনে এল। এনিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা কলকাতা শাখার মুখপাত্র রাধারমন দাসও। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন আমাদের হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমরা তারই অপেক্ষায় রয়েছি। বাংলাদেশে বন্যার সময়ও আমরা অসংখ্য মানুষের সেবা করেছি। বিশ্বজুড়ে আমরা কোটি কোটি মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করি। তা সত্ত্বেও আমাদের মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন বলা হচ্ছে!’



