নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অনলাইন লেনদেন সংক্রান্ত প্রতারণা ক্রমশ বাড়ছে। তার অন্যতম অংশীদার হয়ে উঠেছে বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতারণা। তাতে লাগাম দিতে সচেতনতার বার্তা দিল দেশের অনলাইন লেনদেন সংক্রান্ত নিয়ামক সংস্থা ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া বা এনপিসিআই। লগ্নি সংক্রান্ত যে কোনও লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহক যাতে সচেতন হন এবং চোখ-কান খোলা রাখেন, সেই বার্তাই দিল তারা।
Advertisement
এনপিসিআই জানাচ্ছে, প্রধানত চারটি পদ্ধতিতে প্রতারণা চলছে দেশে। প্রথমত, ভুয়ো ওয়েবসাইট বা পোর্টাল খুলে, সেখানে ভুয়ো ব্রোকার, লগ্নিকারী সংস্থা ও এক্সচেঞ্জের সঙ্গে পরিচয় করানো হয় গ্রাহক বা বিনিয়োগকারীকে। সেখানে লগ্নির পর, আগে থেকে তৈরি করা স্ক্রিনে ভেসে ওঠে লাভের অঙ্ক। গ্রাহক প্রলুব্ধ হলে, সেখানে বেশি অঙ্ক বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই ফাঁদে পা দেন গ্রাহক। দ্বিতীয়ত, তুলনামূলক অপরিচিত সংস্থার কম দামের শেয়ার বিক্রির লোভ দেখানো হয় গ্রাহককে। বলা হয়, কিছু নির্বাচিত লগ্নিকারীকেই এই অফার দেওয়া হচ্ছে, যেখানে বাস্তব দামের চেয়ে কমে শেয়ার কিনতে পারবেন তাঁরা। এক্সচেঞ্জ বা ব্রোকিং হাউসকে এড়িয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা ঢালার প্রস্তাব দেওয়া হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। তৃতীয়ত, লগ্নির বাজারে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করেও গ্রাহকদের থেকে টাকা চাওয়া হয়। চতুর্থত, যেভাবে পঞ্জি স্কিম বা চিটফান্ড চলে, সেই একই কায়দায় লগ্নির বাজারেও প্রতারণার জাল বিছানো হয়। মোটা অঙ্কের রিটার্নের প্রস্তাব দিয়ে গ্রাহকের থেকে লগ্নি আদায় করা হয়। এরপর নতুন করে গ্রাহক এনে, তাঁদের লগ্নির টাকা থেকে পুরনো গ্রাহকদের মোটা অঙ্কের রিটার্ন দেওয়া হয় এবং আস্থা অর্জন করা হয়। এরপর একসময় সব লগ্নির টাকা গায়েব হয়ে যায়।
এনপিসিআইয়ের বক্তব্য, গ্রাহক লগ্নির আগে একাধিক বিষয়ে যেন সচেতন থাকেন। যেমন, বিনিয়োগের আগে দেখে নেওয়া উচিত, লগ্নি সংস্থাগুলির সেবি বা আরবিআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি আছে কি না। অতি উচ্চ হারে রিটার্নের প্রতিশ্রুতি কখনওই বৈধ সংস্থা দিতে পারে না। এক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। খুব তাড়াতাড়ি বিনিয়োগের জন্য যে সংস্থাগুলি লগ্নিকারীদের উপর চাপ সৃষ্টি করে, সেখানে সাবধান হওয়া জরুরি। ব্যাঙ্ক বা ব্যক্তিগত তথ্য চাইলে, তা দেওয়ার আগে চিন্তাভাবনার দরকার। তাছাড়া যে ওয়েবসাইট বা পোর্টাল থেকে বিনিয়োগ সংক্রান্ত পরামর্শ বা অফার দেওয়া হয়, সেগুলির বৈধতা যাচাই করা জরুরি, বলছে এনপিসিআই।
এনপিসিআইয়ের বক্তব্য, গ্রাহক লগ্নির আগে একাধিক বিষয়ে যেন সচেতন থাকেন। যেমন, বিনিয়োগের আগে দেখে নেওয়া উচিত, লগ্নি সংস্থাগুলির সেবি বা আরবিআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি আছে কি না। অতি উচ্চ হারে রিটার্নের প্রতিশ্রুতি কখনওই বৈধ সংস্থা দিতে পারে না। এক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। খুব তাড়াতাড়ি বিনিয়োগের জন্য যে সংস্থাগুলি লগ্নিকারীদের উপর চাপ সৃষ্টি করে, সেখানে সাবধান হওয়া জরুরি। ব্যাঙ্ক বা ব্যক্তিগত তথ্য চাইলে, তা দেওয়ার আগে চিন্তাভাবনার দরকার। তাছাড়া যে ওয়েবসাইট বা পোর্টাল থেকে বিনিয়োগ সংক্রান্ত পরামর্শ বা অফার দেওয়া হয়, সেগুলির বৈধতা যাচাই করা জরুরি, বলছে এনপিসিআই।



