Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

বাড়ছে ক্যান্সার, প্রচার নেই ‘বেনিফিট’ বিমার

বাড়ছে ক্যান্সার, প্রচার নেই ‘বেনিফিট’ বিমার
  • ২২ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা। ২০২২ সালে ১৪ লক্ষের বেশি নতুন আক্রান্তের নাম নথিভুক্ত হয়েছে সরকারি খাতায়। তা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের মধ্যে শুধুমাত্র ক্যান্সার বা এই ধরনের জটিল রোগের জন্য ‘বেনিফিট’ বিমা কেনার প্রবণতা বাড়েনি। অথচ এই ধরনের পলিসির প্রিমিয়াম এখনও অনেকটা কম। তাও কেন সাধারণ মানুষের মধ্যে এব্যাপারে আগ্রহ বাড়ছে না? বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রচার এবং সচেতনতার অভাবই এর জন্য দায়ী। ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের জন্য যে আলাদা বিমা রয়েছে মানুষ সেটাই জানে না। তাই এ নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার আরও বাড়িয়েছে বিমা কোম্পানিগুলি। ক্রিটিক্যাল ইলনেসের জন্য আলাদাভাবে বিভিন্ন ‘বেনিফিট’ পলিসি বাজারে এনেছে বিমা সংস্থাগুলি। তার মধ্যে কোনওটি শুধুমাত্র ক্যান্সারের জন্য। আবার কোনওটি তার পাশাপাশি আরও ৩০-৩৫টি রোগের জন্য সুনির্দিষ্ট। এই ধরনের ‘বেনিফিট’ পলিসির মূল বৈশিষ্ট্য—রোগ ধরা পড়লেই একলপ্তে পুরো টাকা মিলবে। এমনকী হাসপাতালে ভর্তিরও প্রয়োজন নেই। কোনও কোনও সংস্থা দু’কোটি টাকা পর্যন্তও ‘কভারেজে’র সুবিধা দিয়ে থাকে।
Advertisement
বিমা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত লোকজন জানাচ্ছেন, কোভিডের পরে হেল্থ ইনসিওরেন্সের বিক্রি যথেষ্ট বাড়লেও ক্যান্সার বা ক্রিটিক্যাল ইলনেস পলিসির ক্ষেত্রে তেমনটা দেখা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার নামমাত্র, ০.৫ শতাংশের কম। অথচ একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থার ‘ন্যাশনাল ক্রিটিকাল ইনলেস পলিসি’-তে ৫ লক্ষ টাকার কভারেজে ২৬-৩০ বছর বয়সি ব্যক্তিকে বছরে প্রিমিয়াম দিতে হয় দেড় হাজার টাকারও কম। ক্যান্সার সহ মোট ১১টি জটিল রোগের জন্য এই প্ল্যান। শুধু ক্যান্সারের জন্য যে পলিসিগুলি, সংস্থাভেদে তার প্রিমিয়ামও তুলনামূলক কম। তাও কেন এব্যাপারে আগ্রহ নেই মানুষের। ন্যাশনাল ইনসিওরেন্সের এমডি কস্তুরী সেনগুপ্তের দাবি, ‘মানুষকে সচেতন করতে আমরা নিয়মিত প্রচার করছি। নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা এই বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আশা করছি আগামী দিনে বাকিরাও এগিয়ে আসবেন।’ বিমা এজেন্টদের সংগঠন জিআইএডব্লুওআই-এর সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত সরকার জানিয়েছেন, তাঁরাও এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সচেষ্ট।
সম্পর্কিত সংবাদ