নয়াদিল্লি: পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিল বিসিসিআই। সংস্থার সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, ‘আইসিসি ইতিমধ্যেই কড়া বিবৃতি দিয়েছে। পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে তারা কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার জন্য অপেক্ষা করছি আমরা। তারপরেই মন্তব্য করব।’
নয়াদিল্লি: পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিল বিসিসিআই। সংস্থার সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, ‘আইসিসি ইতিমধ্যেই কড়া বিবৃতি দিয়েছে। পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে তারা কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার জন্য অপেক্ষা করছি আমরা। তারপরেই মন্তব্য করব।’
১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় হওয়ার কথা ভারত-পাক মহারণ। সূচি মেনেই সূর্যদের ম্যাচ খেলতে পাঠাবে বিসিসিআই। কারণ, আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, ভারতীয় দল মাঠে উপস্থিত থাকলে তবেই পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটের সুবিধা অর্থাৎ ওয়াক-ওভার পাবে। তাই পূর্বনির্ধারিত সূচি মেনেই টিম ইন্ডিয়া যাবে প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। বোর্ডের আরও এক কর্তা জানিয়েছেন, ‘পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। ওরা টুর্নামেন্টে ফোকাস করুক। আসলে ভারতকে ভয় পাচ্ছে পাকিস্তান। তাই ওরা নানা অজুহাতে পালানোর পথ খুঁজছে। আমাদের লক্ষ্য খেতাব ধরে রাখা। ক্রিকেটারদের মনোবলও তুঙ্গে।’
উল্লেখ্য, ভারত ও শ্রীলঙ্কা এবার যৌথভাবে টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। পাকিস্তানের সব ম্যাচ কলম্বোয় খেলার কথা। কারণ, বিসিসিআই এবং পিসিবি’র মধ্যে লিখিত চুক্তিই রয়েছে, একে অপরের দেশে গিয়ে কোনও ম্যাচ খেলবে না। হাইব্রিড মডেলে হবে আইসিসি এবং এসিসি’র যাবতীয় টুর্নামেন্ট। সেই মতোই টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে। তবে বিশ্বকাপ নিয়ে জটিলতা শুরু মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়া ঘিরে। ভারতকে চাপে রাখতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিশ্বকাপের ম্যাচ অন্যত্র খেলার দাবি জানায়। মনে রাখা দরকার, বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলি হওয়ার কথা ছিল কলকাতা এবং মুম্বইয়ে। কিন্তু নিরাপত্তার অজুহাত তুলে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ দেওয়ার দাবি করে তারা। কিন্তু তা মানেনি আইসিসি। ফলে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গিয়েছে বাংলাদেশ। এবার সেই ইস্যুতে অহেতুক নাক গলিয়ে বিপাকে পাকিস্তান। তবে ভারতীয় বোর্ডের তা নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই।