Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই বারুইপুরের কাউন্সিলারের, বিপাকে জয়নগরের জনপ্রতিনিধিও

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই বারুইপুরের কাউন্সিলারের, বিপাকে  জয়নগরের জনপ্রতিনিধিও
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্যজুড়ে তৎপরতা তুঙ্গে। এর মধ্যেই শোরগোল বারুইপুর ও জয়নগর-মজিলপুর পুরসভা এলাকায়। ভোটার তালিকা যাচাই করতে গিয়ে মাথায় হাত বারুইপুর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার তাপস ভদ্রের। কারণ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই তাঁর। এ ব্যাপারে তিনি বারুইপুর মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে, জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার প্রশান্ত ভাণ্ডারীর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় থাকলেও তাঁর ভোটার আই ডি নম্বর উধাও। তিনিও পড়েছেন বিড়ম্বনায়। তাপসবাবু পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ওই ওয়ার্ডেরই ভোটার তিনি। এসআইআরের জন্য বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা শুরু হওয়ার আগে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম আছে কি না, তা দেখে নিতে বাসিন্দারা তাঁর অফিসেই ভিড় করছেন। এই কাজ করতে গিয়েই তিনি দেখেন, ওই ভোটার তালিকায় তাঁরই নাম নেই। অথচ তাঁর পরিবারের সবার নাম আছে। এমনকি, মৃত বাবার নামও আছে। এতে যারপরনাই অবাক তাপসবাবু। তিনি বলেন, ‘আমি দু’বারের জনপ্রতিনিধি। কিন্তু আমার নামই নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তের শিকার আমি। নির্বাচন কমিশন কি ঘুমিয়ে আছে?’ বিষয়টি তিনি বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জানিয়েছেন। তাপসবাবুর আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, ‘আমরা ২০০২ সালের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখছি, ২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ১০০ জনের নাম তালিকায় নেই। আরও খতিয়ে দেখে অভিযোগ করা হবে।’ 

Advertisement

অন্যদিকে, জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার প্রশান্ত ভাণ্ডারী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের গাফিলতিতেই ২০০২-এর ভোটার তালিকায় আমার ভোটার আই ডি নম্বর নেই। অথচ নাম আছে। মানুষ কে সমস্যায় ফেলছে এই এসআইআর।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ