Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

আলোর উৎসব ও দুই প্রধানের লড়াই: ব্যারেটো সেদিন মাঠে আগুন জ্বালিয়েছিল: ভেঙ্কটেশ

শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই প্রধানের মর্যাদার লড়াই। অতীতেও কালীপুজো এবং দীপাবলির আবহে মুখোমুখি হয়েছে মোহন বাগান-ইস্ট বেঙ্গল। তেমনই দু’টি ম্যাচের স্মৃতিচারণায় ভেঙ্কটেশ

আলোর উৎসব ও দুই প্রধানের লড়াই: ব্যারেটো সেদিন মাঠে আগুন জ্বালিয়েছিল: ভেঙ্কটেশ
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

যে পথে যান উমা, সে পথেই আসেন শ্যামা...। সোমবার শক্তি আরাধনায় শামিল হবে গোটা বাংলা। বারাসত, নৈহাটিতে উপচে পড়বে উৎসবপ্রিয় বাঙালি। তার ঠিক আগে শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই প্রধানের মর্যাদার লড়াই। অতীতেও কালীপুজো এবং দীপাবলির আবহে মুখোমুখি হয়েছে মোহন বাগান-ইস্ট বেঙ্গল। তেমনই ম্যাচের স্মৃতিচারণায় ভেঙ্কটেশ

Advertisement

ডার্বি! নাম শুনলে এখনও গায়ে কাঁটা দেয়। মনে হয়, বল পায়ে মাঠে নেমে পড়ি। দর্শকঠাসা যুবভারতীতে ডার্বি খেলা যে কোনও ফুটবলারের স্বপ্ন। কলকাতার দুই প্রধানের জার্সি গায়ে চাপানো সত্যিই গর্বের। সেদিক দিয়ে আমি সৌভাগ্যবান। সামনেই দীপাবলী। উৎসবের এমন আবহে বড় ম্যাচ। কলকাতা নিশ্চয়ই ফুটবল জ্বরে কাবু। অনেক পুরনো কথা মনে পড়ছে।
২০০৭ সাল। সেবার মোহন বাগানের কোচ কার্লোস পেরেরা। ইস্ট বেঙ্গলের দায়িত্বে মোহন বাগানের ঘরের ছেলে সুব্রত ভট্টাচার্য। ফলে ডার্বির আগে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছিল। ৬ নভেম্বর ঘরোয়া লিগের বড় ম্যাচ। তার তিন দিন পরেই ‘দিওয়ালি’। মোহন বাগান মাঠে প্র্যাকটিস দেখতে প্রচুর সমর্থক হাজির। সময় গড়ানোর সঙ্গেই চাপ বাড়ছিল ড্রেসিং-রুমে। তার কয়েকমাস আগে যুবভারতীর রুদ্ধশ্বাস ডার্বির কথা নিশ্চয়ই ভোলেননি। টানটান লড়াইয়ের পর ৪-৩ ব্যবধানে জয় পায় মোহন বাগান। সেই ম্যাচে জোড়া লক্ষ্যভেদ ছিল এই অধমের। যাই হোক, বদলা নিতে মুখিয়ে ছিল ইস্ট বেঙ্গল। লাল-হলুদ ব্রিগেডও কম শক্তিশালী নয়। আলভিটো, এডমিলসন, নবি, বোলাজিরা শুরুতে বেশ দাপট দেখায়। ৬৫ মিনিটে আমার পরিবর্তে লালকমলকে মাঠে নামান কোচ। সেদিন দু’দলের পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল হোসে ব্যারেটো। বিশেষ করে ব্রাজিলিয়ানের প্রথম গোল এখনও চোখে ভাসে। সুরেশকে প্রায় ঘাড়ে নিয়ে দুরন্ত শটে সুব্রত পালকে হার মানায় ব্যারেটো। দ্বিতীয় গোলও ব্যারেটোর। ঠান্ডা মাথায় পেনাল্টি কিক জালে জড়ায়। 
শনিবার আরও একটা বড় ম্যাচ। তবে দুই প্রধানে বাঙালি ফুটবলারের সংখ্যা হাতে গোনা। এটা ভাবার বিষয়। অতীতে বড় ম্যাচের আগে স্থানীয় ফুটবলাররাই আমাদের তাতাতেন। এখনকার জেনারেশন সেই মুহূর্তগুলো মিস করবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ