বরুসিয়া ডর্টমুন্ড- ৩ : বার্সেলোনা- ১
অ্যাস্টন ভিলা- ৩ : পিএসজি- ২
বরুসিয়া ডর্টমুন্ড- ৩ : বার্সেলোনা- ১
অ্যাস্টন ভিলা- ৩ : পিএসজি- ২
ডর্টমুন্ড: দীর্ঘ ৬ বছর পর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে বার্সেলোনা। মঙ্গলবার শেষ আটের ফিরতি পর্বে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের কাছে হেরেও পরবর্তী রাউন্ডের টিকিট নিশ্চিত করল কাতালন ক্লাবটি। প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ৪-০ গোলে জিতে আগেই শেষ চারের পথে এক পা বাড়িয়ে রেখেছিলেন হান্স ফ্লিকের ছেলেরা। তাই ফিরতি পর্বে ১-৩ গোলে হারলেও, দু’লেগ মিলিয়ে ৫-৩ ব্যবধানে জিতে সেমি-ফাইনালে জায়গা পাকা করল তারা। ম্যাচে বরুসিয়ার হয়ে দুরন্ত হ্যাটট্রিক সেগু গেগাসির। তবে প্রথম লেগে বড় ব্যবধানে হারের ফলে বিফলে গেল তাঁর এই পারফরম্যান্স। ম্যাচের বার্সার গোলটি রামি বেনসেবাইনির আত্মঘাতী। উল্লেখ্য, ২৪ ম্যাচ পর হারের মুখ দেখল বার্সা।
২০১৮-১৯ মরশুমে শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে পৌঁছেছিল বার্সেলোনা। তবে গত কয়েক বছর বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে তাদের। চলতি মরশুমে অবশ্য দীর্ঘ এক দশক পর খেতাব জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছে কাতালন ক্লাবটি। কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে বরুসিয়াকে দুরমুশ করে ফ্লিক ব্রিগেড। ফিরতি পর্বেও সেই ছন্দ ধরে রাখার লক্ষ্য পূর্ণশক্তির দল সাজিয়েছিলেন বার্সা কোচ। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই বরুসিয়ার আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে দিশাহারা দেখায় কুবারসি-আরাহুদের। ১১ মিনিটে ঘরের মাঠে লিড নেয় জার্মান ক্লাবটি। বক্সের মধ্যে বল দখলের লড়াইয়ে ফাউল করেন বার্সা গোলরক্ষক সেজনি। সঙ্গত কারণে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। স্পটকিক থেকে জাল কাঁপাতে ভুল হয়নি গেগাসির (১-০)। বিরতির পর ফের জাল কাঁপান গিনির এই ফুটবলার। ভেনসনের ভাসানো কর্নার থেকে হেড বেনসেবাইনির। সেই বল ফিরতি হেডে বল জালে জড়ান গেগাসি (২-০)। দু’লেগ মিলিয়ে তখন ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-২। এই পর্বে ক্রমশ কোণঠাসা হতে দেখা যায় বার্সাকে। তবে ৫৪ মিনিটে ফারমিন লোপেজের শট বিপন্মুক্ত করেত গিয়ে নিজেদের জালে জড়ান বেনসেবাইনি (২-১)। এই আত্মঘাতী গোলের শেষ হয়ে যায় বরুসিয়ার যাবতীয় লড়াই। এরপর ৭৬ মিনিটে গেগাসি আরও একবার জাল কাঁপিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করলেও, তা লড়াইয়ে ফেরার জন্য যথেষ্ট ছিল না (৩-১)।
দিনের অপর ম্যাচে ঘরের মাঠে জিতেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিল অ্যাস্টন ভিলা। এদিন শেষ আটের ফিরতি লেগে পিএসজিকে ৩-২ গোলে হারায় উনাই এমেরি ব্রিগেড। তবে প্রথম লেগে পার্ক দ্য প্রিন্সেসে ৩-১ গোলে জয়ের সুবাদে শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করল প্যারিসের ক্লাবটি। ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে জাল কাঁপান ইয়োরি টিলেমান্স, জন ম্যাকগিন ও এজরি কোনসা। পিএসজি’র দুই গোলদাতা আচরাফ হাকিমি ও নুনো মেন্ডিজ।