Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলার বাড়ি: অনেকে কাজ শুরু না করায় চিন্তা বাড়ছে প্রশাসনের

বাংলার বাড়ি: অনেকে কাজ শুরু  না করায় চিন্তা বাড়ছে প্রশাসনের
  • ২৪ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: আবাস যোজনা প্রকল্পে বনগাঁ মহকুমার প্রায় ১৮ হাজার উপভোক্তা ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৬ হাজার উপভোক্তা পেয়েছেন দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও। কিন্তু অনেকেই প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও এখনও বাড়ির ভিত পর্যন্ত তুলতে শুরু করেননি। এই ধরনের উপভোক্তাদের নিয়েই মাথাব্যথা প্রশাসনের। দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার পর সেই মতো কাজ হচ্ছে কি না, বিডিওদের তা বাড়ি বাড়ি গিয়ে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ করতে গিয়েই জানা যায়, অনেক উপভোক্তা এখনও বাড়ি তৈরির কাজে হাতই দেননি। বাগদা ব্লকে ৮ হাজার ৬৫৫ জন উপভোক্তা প্রথম কিস্তির  টাকা পেয়েছেন। ভিতের কাজ শেষ হওয়ায় প্রায় ৭ হাজার ৫০০ জনকে দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৮০ শতাংশের বেশি উপভোক্তা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেলেও বাগদা ব্লকে ৪০ জন উপভোক্তা এখনও ভিত তোলার কাজ শুরু করেননি। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না হওয়ার কারণ হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জমি সংক্রান্ত পারিবারিক বিবাদ সামনে এসেছে। কিছু উপভোক্তা অসুস্থ থাকায় মানবিক দিক থেকে তাঁদের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবুও মৌখিক একটি সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে তাঁদের জন্য। যাঁরা একেবারেই কাজ শুরু করেননি, তাঁদের চলতি মাসের মধ্যে তা করতে বলা হয়েছে। 

Advertisement

বনগাঁ ব্লকে মোট ৫ হাজার ৫২৫ জন উপভোক্তা বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। এর মধ্যে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৭২ জন। প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও এখনও পর্যন্ত বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতে পারেননি প্রায় ৬০ জন। গাইঘাটা ব্লকে ৩ হাজার ২৭৬ জন উপভোক্তার প্রায় ৩১০০ জন দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেয়েছেন। এখনও কাজ শুরু করতে পারেননি প্রায় ৩৫ জন। ব্লকের এক আধিকারিক বলেন, ‘আমরা পঞ্চায়েত স্তরে কমিটি গড়ে দ্রুত কাজ শুরু করার কথা বলছি।’ উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, ‘আমরা বিডিও এবং পঞ্চায়েত প্রধানদের বলেছি, কী কারণে এখনও কাজ শুরু করতে পারেননি অনেকে, তা খতিয়ে দেখুন। প্রশাসনিক স্তরে সম্ভব হলে সমস্যা মিটিয়ে দ্রুত কাজ শুরু করতে হবে। এর জন্য আগামী ১৫ দিন সময়সীমা ধার্য করা হয়েছে আপাতত।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ