


ঢাকা, ৩ জুলাই: জেলেই বন্দি রাখার ছক রয়েছে সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে? বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সদিচ্ছা দেখে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ওয়াকিবহল মহলে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জেলে রয়েছেন তিনি। তার মাঝেই অন্য একটি মামলায় চিন্ময়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে বাংলাদেশ পুলিস। চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে আইনজীবী সইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যার মামলায় গতকাল, বুধবার চার্জশিট পেশ করেছে পুলিস। সেই চার্জশিটেই অভিযুক্তের তালিকায় সর্বপ্রথম নাম রয়েছে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময়কৃষ্ণের। এছাড়াও আইনজীবী হত্যা মামলায় চিন্ময়কৃষ্ণকে নিয়ে মোট ৩৮ জনের নাম রয়েছে চার্জশিটে। যার মধ্যে ২০ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকি ১৮ জন পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিস।
গতবছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতা ও বাংলাদেশের পতাকাকে অবমাননার অভিযোগ ছিল। সেই মামলাতেই পুলিস গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নেয়। পরের দিন অর্থাৎ ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালতে সন্ন্যাসীর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তখনই তাঁকে প্রিজন ভ্যানে করে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিস। অভিযোগ, সেই সময়ে আদালত চত্বরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান চিন্ময়কৃষ্ণের অনুগামীরা। বেশ কয়েকটি গাড়ি-ভাঙচুর করে তারা। পুলিসের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে। তখনই আদালত চত্বরে খুন হন আইনজীবী সইফুল ইসলাম। পুলিসের অভিযোগ, সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময়কৃষ্ণের উস্কানিমূলক বক্তব্যের জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। তাই তাঁকেই মূল অভিযুক্ত করে চার্জশিট পেশ করেছে বাংলাদেশ পুলিস।