Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

ডেঙ্গু চিকিৎসায় সেরা বনগাঁ হাসপাতালই রাজ্যের ‘মডেল’, এই মরশুমে মৃত্যু হয়নি কারও, হয়নি ‘রেফার’

বনগাঁ হাসপাতালের মুকুটে জুড়ল নয়া পালক। ডেঙ্গু চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য সাফল্যের জন্য রাজ্যের সেরা হাসপাতালের শিরোপা পেয়েছে বনগাঁ মহকুমা ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল।

ডেঙ্গু চিকিৎসায় সেরা বনগাঁ হাসপাতালই রাজ্যের ‘মডেল’, এই মরশুমে মৃত্যু হয়নি কারও, হয়নি ‘রেফার’
  • ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:১০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: বনগাঁ হাসপাতালের মুকুটে জুড়ল নয়া পালক। ডেঙ্গু চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য সাফল্যের জন্য রাজ্যের সেরা হাসপাতালের শিরোপা পেয়েছে বনগাঁ মহকুমা ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। শুধু তাই নয়, বনগাঁ হাসপাতালকে ডেঙ্গু চিকিৎসায় রাজ্যের মডেল হাসপাতাল ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার চিকিৎসক ও নার্সদের এই হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসার বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরে ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত বনগাঁ হাসপাতালে আসা ডেঙ্গুর রোগীরা সকলেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কোনও মৃত্যু হয়নি। এমনকি কোনও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে কলকাতা বা অন্যত্র ‘রেফার’ করতেও হয়নি। 

Advertisement

সপ্তাহ খানেক আগে রাজ্যের একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যের সব হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসার পরিকাঠামো ও পদ্ধতি খতিয়ে দেখে। বনগাঁ হাসপাতালের ডেঙ্গু চিকিৎসার ব্যবস্থাপনা এবং সাফল্যের পরিসংখ্যান ওই প্রতিনিধি দলকে মুগ্ধ করেছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করেছেন। তার ফলেই এই সাফল্য এসেছে।
১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ৩৩৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এঁদের কাউকেই অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়নি। এখানেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মী এবং গ্রামে গ্রামে কাজ করা স্বাস্থ্যকর্মীরা একজোট হয়ে লড়েছেন মশাবাহিত রোগের বিরুদ্ধে। নিয়মিত ডেঙ্গু রোগীদের প্লেটলেট পরীক্ষা থেকে শুরু করে তাঁদের দেখভাল করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ‘ফিল্ড ওয়ার্কার’রা আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। গ্রামীণ হাসপাতাল গুলিতেও ভালো চিকিৎসা হয়েছে। সেখানেও অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এই সাফল্যে হাসপাতালের সমস্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সমুদ্র সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, ‘আমি আনন্দিত। সকলের সমন্বয়েই আমরা সফল্যে পৌঁছতে পেরেছি।’ বনগাঁ মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক মৃগাঙ্ক সাহারায় বলেন, ‘গ্রামে গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মীরা ভালো কাজ করেছেন। গ্রামীণ হাসপাতালে ডেঙ্গুর চিকিৎসায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সবাই নিজের কাজটুকু যথাযথভাবে করেছেন বলেই এই সাফল্য মিলেছে।’ 

সম্পর্কিত সংবাদ