লন্ডন: গত বছর বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে অনূর্ধ্ব ১৬ কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। এবার একই পথে হাঁটল ব্রিটেন। প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার জানান, নিরাপদ শৈশবের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ। স্টারমারের কথায়, ‘অনূর্ধ্ব ১৬দের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। আজকের পৃথিবীতে শিশুদের জীবনের প্রত্যেক মুহূর্তকে নিয়ন্ত্রণ করে প্রযুক্তি। এটা আর হতে দেওয়া যায় না। শিশুদের শৈশব ফিরিয়ে দিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছি আমরা।’ বিবিসি জানিয়েছে, শিশুদের জন্য নিরাপদ প্ল্যাটফর্মে লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি গেমিং অ্যাপে অপরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি খর্ব করা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে মন্ত্রিসভা। শিশুদের উপর সোশ্যাল মিডিয়া কার্ফুও জারি করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আগামী মাসের আগে প্রকাশ করা হবে না। গত তিনমাস ধরে নিষেধাজ্ঞা চাপানো নিয়ে আলোচনা চলছিল। ক্ষতিকারক অনলাইন ফিচার থেকে রক্ষা করার বিষয়টিও ভেবে দেখা হয়। করা হয় বিস্তর সমীক্ষা। ১ লক্ষের বেশি মানুষ মতামত জানান। জানা গিয়েছে, ৯০ শতাংশ অভিভাবক সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার পক্ষেই মত দেন। বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার পর সেটাই করল ব্রিটিশ প্রশাসন। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ১০টি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি কর হতে পারে। সেগুলি হল টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, রেডিট, টুইচ, এক্স, থ্রেডস, ফেসবুক ও কিক। অস্ট্রেলিয়াও এই দশটি প্ল্যাটফর্ম নিষিদ্ধ করেছে। তবে এক্ষেত্রে অ্যান্থনি আলবানিজ প্রশাসনের থেকে একধাপ এগিয়ে যেতে পারে ব্রিটিশরা।



