Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বালুরঘাট কলেজ: ইউনিয়ন ফান্ডের নামে ৪০০ টাকা! প্রতিবাদ

কলেজে নেই ইউনিয়ন। কিন্তু ইউনিয়ন ফান্ড বাবদ তৃতীয় সেমেস্টারে ভর্তির সময় নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ৪০০ টাকা। এই অভিযোগে মঙ্গলবার সরগরম হয় বালুরঘাট কলেজ।

বালুরঘাট কলেজ: ইউনিয়ন ফান্ডের নামে ৪০০ টাকা! প্রতিবাদ
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: কলেজে নেই ইউনিয়ন। কিন্তু ইউনিয়ন ফান্ড বাবদ তৃতীয় সেমেস্টারে ভর্তির সময় নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ৪০০ টাকা। এই অভিযোগে মঙ্গলবার সরগরম হয় বালুরঘাট কলেজ। প্রতিবাদে গণস্বাক্ষর করে অধ্যক্ষের কাছে আবেদনপত্র নিয়ে যেতেই বাধার মুখে পড়েন ছাত্রছাত্রীরা। অভিযোগ, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থক ছাত্ররা ওই আবেদনপত্র কেড়ে ছিঁড়ে ফেলে এবং থুতু দিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। এমনকী ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও হেনস্তা করে বলে অভিযোগ। এনিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। টিএমসিপি’র এহেন দাদাগিরির ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়েছে কলেজে। ওই ঘটনায় পরে ছাত্রছাত্রীরা কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও তিনি দেখা করেননি বলে অভিযোগ। এবিষয়ে বক্তব্য জানতে কলেজের অধ্যক্ষ পঙ্কজ কুণ্ডুর সঙ্গে দেখা করতে গেলেও তিনি অসুস্থ বলে দেখা করেননি। এমনকী ফোন ও মেসেজ করলেও উত্তর পাওয়া যায়নি। বরং তিনি ছাত্রছাত্রী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বলে চলে যান। কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি প্রতীক রাম মণ্ডল বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি বুধবার কলেজে যাব। কলেজে গিয়ে এই বিষয়টি বিস্তারিত শুনব। এ ব্যাপারে আক্রান্ত ছাত্রী অঙ্কিতা মণ্ডল বলেন, আমাদের কলেজে তৃতীয় সেমেস্টারে ভর্তির ফি বেশি নেওয়া হচ্ছে। কলেজে ইউনিয়ন নেই, তা সত্ত্বেও ইউনিয়নের জন্য আলাদা ৪০০ টাকা ফি নেওয়া হচ্ছে। আমরা এদিন কলেজে এসে ছাত্রদের স্বাক্ষর নিয়ে প্রিন্সিপালের কাছে আবেদন দিতে গিয়েছিলাম। সেই সময় কলেজের তৃণমূলের ছেলেরা এসে আমাদের হাত থেকে আবেদনপত্র কেড়ে নেয়। 

Advertisement

এমনকী আমাদের ধাক্কাধাক্কিও করে কাগজ ছিঁড়ে থুতু দিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। আমরা পরে ওই কাগজ তুলে এনেছি। আমরা  প্রিন্সিপালের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি দেখা করেননি।  
যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থক ছাত্ররা। কলেজে তৃণমূল ছাত্রপরিষদের নেতৃস্থানীয় বলে পরিচিত প্রলয় দাস বলেন, ফি কমানোর দাবি আমরা জানিয়েছি। সেটা কলেজ কর্তৃপক্ষ দেখছে। তবে ওরা আবেদনপত্রে সই ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করছে। যা তারা বাইরে দিয়ে দিতে পারে। ফলে ছাত্রছাত্রীদের ফোন নম্বর যে কেউ পেয়ে যাবে। আমরা এটা নিয়েই ওদের নিষেধ করেছিলাম। কেউ মারধর বা কিছুই করেনি। 
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি অমরনাথ ঘোষ বলেন, এসএফআইয়ের কিছু বহিরাগত ছাত্রছাত্রীরা এসে অনৈতিক কাজ ও ছাত্রদের বিরক্ত করছিল। এর সাথে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের যোগ নেই। আর ইউনিয়ন ফি’র বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে। এসএফআইয়ের বালুরঘাট এরিয়া কমিটির সম্পাদক অমন দাস বলেন, আমরাও এই নির্দেশের বিরুদ্ধে।  বিক্ষোভ। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ