Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বেআইনিভাবে জল টানলে হতে পারে  এফআইআর, সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহেই

বেআইনিভাবে জল টানলে হতে পারে  এফআইআর, সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহেই
  • ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বজবজ: বাড়ি বাড়ি দেওয়া লাইন থেকে বেআইনিভাবে পাম্প বসিয়ে যাঁরা জল চুরি করছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পথে যাওয়ার কথা ভাবছে জনস্বাস্থ্য দপ্তর। ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের বজবজ-১ এবং বজবজ-২ ব্লকে অনেকেই পাম্প লাগিয়ে জল টেনে নিচ্ছেন। এটা বেশি হচ্ছে বজবজ-১ ব্লকে। যাঁরা একাজ করছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করে প্রথম পর্বে সেই সব লাইন কেটে দিয়েছিল জনস্বাস্থ্য দপ্তর। তাঁরা এমন আর করবেন না বলে মুচলেকা দেওয়ায় কোনও আইনি পথে যায়নি প্রশাসন। কিন্তু ফের নতুন করে তাঁরাই বেআইনি সংযোগ করে নিয়েছেন। বিষয়টি জানতে পারার পর এখন নড়েচড়ে বসেছে জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তারা।
Advertisement
প্রশাসনের এক সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের নিচুতলার কিছু কর্মীদের ইন্ধনে তাঁরা এই সাহস পাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী এনিয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, জল চুরিতে যুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করতে হবে। জনস্বাস্থ্য দপ্তর ও প্রশাসন সেই আইনি পথ ধরেই এবার এমন ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিসে এফআইআরের কথা ভেবেছে। এনিয়ে চলতি সপ্তাহে বজবজ-১ এবং বজবজ-২ ব্লকের বিডিওদের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের যে সংযোগ দেওয়া হয়েছিল, তার অধিকাংশ জায়গাতে জল পাওয়া যাচ্ছিল না। জনস্বাস্থ্য দপ্তর সমীক্ষা করে দেখে যে, বজবজ-১ ও বজবজ-২ ব্লকে বহু জায়গাতে বেআইনিভাবে পাম্প বসিয়ে জল টেনে নেওয়া হচ্ছে। এর ফলেই অনেক বাড়িতে লাইন থাকা সত্ত্বেও জল যাচ্ছে না। তখন জনস্বাস্থ্য দপ্তর, পুলিস ও প্রশাসন মিলিতভাবে এই বেআইনি সংযোগ কাটার পথে হাঁটে। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দু’টি ব্লকের বুঁইতা, চিংড়িপোতা, নিশ্চিন্তপুর, রাজীবপুর, উত্তর রায়পুর মিলিয়ে ২৫৭২টি বেআইনি সংযোগ কাটা হয়। প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, বজবজ-১ ব্লকে এখনও চার হাজারের মতো বেআইনি সংযোগ রয়েছে। সেগুলিও কাটার দিকে এগচ্ছে প্রশাসন। কিন্তু এর ভিতর একটা বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। যাঁদের লাইন কাটা হয়েছিল, তাঁদের অনেকে তা ফের জুড়ে নিয়েছেন। যেমন রাজীবপুরে ২২ জন, নন্দরামপুরে ১৩ জন ও উত্তর রায়পুরে চারজন এই কাজ করেছেন বলে খবর এসেছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ