Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বেআইনি নয়, বৈধ হোর্ডিং ভেঙে দিল বিধাননগর পুরসভা,   ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে  চিঠি ক্ষুব্ধ কলকাতা পুরসভার

বেআইনি নয়, বৈধ হোর্ডিং ভেঙে দিল বিধাননগর পুরসভা,   ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে  চিঠি ক্ষুব্ধ কলকাতা পুরসভার
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এক সরকারি সংস্থার ‘সম্পত্তি’ ভেঙে দিয়েছে আর এক সরকারি সংস্থা! শুনতে আশ্চর্য লাগলেও এমন কাণ্ডই ঘটেছে ই এম বাইপাসে। সেখানে কলকাতা পুরসভার আওতাধীন একটি বড় সাইজের এলইডি হোর্ডিং ভেঙে ফেলেছে বিধাননগর পুরসভা। এমন ঘটনায় রীতিমতো অসন্তুষ্ট কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগ। তাদের তরফে বিধাননগর পুরসভাকে চিঠি পাঠিয়ে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। তবে এ প্রসঙ্গে বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গিয়েছে। ওটা আমরা ঠিক করে দেব।’
Advertisement
সূত্রের খবর, অবৈধ বিজ্ঞাপন সরাতে গিয়েই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বিধাননগর পুর কর্তৃপক্ষ। কয়েক সপ্তাহ আগে ঘটেছে এই ঘটনা। ই এম বাইপাসে বেলেঘাটা বিল্ডিং মোড় ক্রসিংয়ের কাছে ‘সাই’ কমপ্লেক্স লাগোয়া অংশে ছিল কলকাতা পুরসভার আওতাধীন এলইডি হোর্ডিংটি। বিজ্ঞাপন বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, ‘খবরটি শোনা মাত্র আমরা লোক পাঠাই। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। প্রায় পুরোটাই ততক্ষণে খুলে বা ভেঙে ফেলা হয়েছে। ওদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, আদালতের নির্দেশ ছিল সরাতে হবে বেআইনি হোর্ডিং, বিজ্ঞাপন। সেই কাজ করতে গিয়েই নাকি না বুঝে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন তাঁরা। জানুয়ারির শেষের দিকে বিধাননগর পুরসভাকে ক্ষতিপূরণের চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর আসেনি।’
বিজ্ঞাপনের অবৈধ হোর্ডিং সরাতে গিয়ে উল্টে বৈধ ও সরকারি এলইডি হোর্ডিং ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে পাশাপাশি দুই পুরসভায়। বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘চিঠি আমার হাতে আসেনি। আমাদের অফিসাররা নিশ্চয়ই পেয়েছেন। নিয়মকানুন খতিয়ে দেখে ওটা ঠিক করে দেওয়া হবে।’ উল্লেখ্য, কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (কেএমডিএ) হাত থেকে ইএম বাইপাস হাতে পাওয়ার পর রাস্তায় ধারে থাকা বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংগুলিও পুরসভার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই রাস্তায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য ১৭টি মনোপোল, একটি গেট এবং চারটি এলইডি হোর্ডিং রয়েছে। তার মধ্যেই একটি এলইডি ভেঙে দিয়েছে বিধাননগর পুরসভা। প্রত্যেকটি হোর্ডিং থেকেই ভালো পরিমাণ অর্থ ঢোকে পুর-ভাঁড়ারে। এই পরিস্থিতিতে কবে ওই এলইডি হোর্ডিং আগের অবস্থায় ফেরে, সেটাই দেখার। -নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ